|

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে কমেছে সাজা ও জাল জব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট   |   শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে কমেছে সাজা ও জাল জব্দ

রাজবাড়ীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে গত বছরের তুলনায় এ বছর জব্দ করা অবৈধ জালের পরিমাণ ও কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলের সংখ্যা কমেছে। গত বছর ২২ দিনের অভিযানে ৩০ লাখ ১৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ এবং ১৭১ জন জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এ বছর একই সময়ে জাল জব্দ হয়েছে ১৬ লাখ ৫৫ হাজার মিটার এবং বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয়েছে ৪৬ জনের।

জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনের মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ৯৭টি অভিযান ও ১৮টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে ২৭৮ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দ করা মাছ বিভিন্ন এতিমখানা ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুব উল হক।

জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর অবৈধভাবে মাছ ধরার অপরাধে ৭৮টি মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া ২৬ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। অভিযানে ৪৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। জব্দ করা মালামাল নিলামে বিক্রি করে আয় হয়েছে ১ লাখ ১০০ টাকা।

অন্যদিকে, ২০২৫ সালের মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ২২ দিনে ১৭২টি অভিযান ও ৫৮টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছিল। সে সময় ইলিশ শিকারের দায়ে ১৭১ জন জেলেকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া ২২ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করে নৌপুলিশ।

গত বছর অভিযানে ৩০ লাখ ১৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ছিল ৫ কোটি ৮৩ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। এ ছাড়া ১ হাজার ১১৮ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করে এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। আটক করা নৌকা নিলামে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয় ৯৭ হাজার টাকা। জেলেদের জরিমানা করা হয়েছিল ১ লাখ ২২ হাজার ২০০ টাকা।

তুলনামূলক হিসাবে দেখা যায়, গত বছরের তুলনায় এ বছর জব্দ করা জালের পরিমাণ কমেছে ১৩ লাখ ৬০ হাজার মিটার। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলের সংখ্যা কমেছে ১২৫ জন। একইসঙ্গে অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সংখ্যাও কমেছে।

জেলার সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, চলতি বছর রাজবাড়ীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান তুলনামূলকভাবে ঢিলেঢালাভাবে পরিচালনা করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। তাদের দাবি, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে নদীর পাড়ে অস্থায়ী হাট বসিয়ে ইলিশ মাছ বিক্রি করা হয়েছে। প্রজনন মৌসুমে ইলিশ সংরক্ষণে এমন পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন তারা। তাদের মতে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে নদীতে অভিযান জোরদার করার পাশাপাশি নদীর পাড়ে মাছ বিক্রি বন্ধেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুব উল হক বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের প্রথম সপ্তাহে নদীতে স্রোত থাকায় জেলেরা সেভাবে নদীতে নামেননি। এ কারণে জাল জব্দ ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সংখ্যাও কম ছিল। মূলত অভিযানের মাঝামাঝি সময়ে জেলেদের তৎপরতা বেশি ছিল। ওই সময়ে আমাদের অভিযানে জাল জব্দ ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তারপরও আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। এসব সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়েই আমরা মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা করেছি।

Advertise with us
Advertise with us
‘তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন, আমি...
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
একসঙ্গে পাঁচ স্লিপার এসি বাসকে...
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
তুরাগ নদের কাছে পাওয়া বাইক...
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে কমেছে...
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শীতের সবজি এলেও কমেনি দাম,...
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
আরও
Advertise with us

ফলো করুন Passenger Voice-এর খবর

Editor and Publisher
SAMSUDDIN CHOWDHURY
Dhaka Office
  • 26 Delwar Complex, Tikatuli, Wari, Bangladesh.
Chittagong Office
  • 35 Kadam Mobarak By-Lane, Jashim Bhaban (4th Floor), Momin Road, Chittagong.
Contact