|

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

৮ কেজির দাতিনা মাছ ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি

  |   মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২৫৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

৮ কেজির দাতিনা মাছ ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি

পটুয়াখালীর আলীপুর মৎস্য বন্দরে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির কালো দাতিনা মাছ। ৮ কেজি ওজনের মাছটি উন্মুক্ত নিলামে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি মাছের দাম পড়েছে ৫ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে মাছটি আলীপুর বন্দরের মেসার্স সাগর ফিসের আড়তে নেওয়া হলে খোলা বাজারে উন্মুক্ত ডাকের মাধ্যমে মাছটি কিনে নেন ‘ফ্রেশ ফিশ কুয়াকাটা’র স্বত্বাধিকারী পি এম মুসা। তিনি মাছটি রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করবেন বলে জানিয়েছেন।

স্থানীয়ভাবে মাছটি কালো দাতিনা, সাদা দাতিনা, জাতি দাতিনা, রাজা দাতিনা ও ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ নামে পরিচিত। উপকূলীয় লোনা ও আধা-লোনা পানিতে এ মাছের বিচরণ থাকলেও জেলেদের জালে এ ধরনের বড় মাছ সচরাচর ধরা পড়ে না। ফলে মাছটি বন্দরে আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে সেটি দেখতে আড়তে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।

মাছটি ধরা পড়া এফবি মিম ট্রলারের জেলে সিদ্দিক বলেন, ছোট জাটকা ইলিশের সঙ্গে একটি দাতিনা মাছও পেয়েছি। খুব ভালো দামে বিক্রি করতে পেরেছি। এ ধরনের মাছ পেলে জেলেরা আর্থিকভাবে লাভবান হন। মাছটি ভালো দামে বিক্রি হওয়ায় আমরা খুবই খুশি।

সিফাত ফিশের আড়তদার মীর মিজানুর রহমান বলেন, দাতিনা মাছের আন্তর্জাতিক বাজারে ভালো চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে এর বায়ুথলি বা এয়ার ব্লাডার বিভিন্ন পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হওয়ায় এ মাছের দাম বেশি। তবে আজ মাছটি তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হয়েছে। মাঝে মাঝে এ ধরনের মাছ ৪ লাখ টাকা পর্যন্তও বিক্রি হতে দেখা যায়। জেলেদের পাশাপাশি আড়তদাররাও এতে লাভবান হন।

ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান জানান, মাছটির বৈজ্ঞানিক নাম Acanthopagrus berda। কালো দাতিনা সর্বোচ্চ প্রায় ৯০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। তবে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সাধারণত প্রায় ৩৫ সেন্টিমিটার আকারের মাছ বেশি পাওয়া যায়। কালো দাতিনা ছোট কাঁকড়া, চিংড়ি, ছোট মাছ, শামুক-ঝিনুক এবং সমুদ্রতলের বালু-কাদায় থাকা বিভিন্ন সামুদ্রিক কৃমি খেয়ে থাকে। এদের চোয়াল শক্তিশালী হওয়ায় শক্ত খোলসযুক্ত কাঁকড়া ও চিংড়িও সহজে খেতে পারে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও উপকূলীয় পরিবেশ দূষণের কারণে এ মাছের প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র হুমকির মুখে পড়ছে। নীল অর্থনীতির বিকাশ ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে কালো দাতিনার কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি এর প্রাকৃতিক আবাসস্থল রক্ষা করা জরুরি।

পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন, এ মাছগুলো কালো পোয়া মাছ। স্থানীয়ভাবে এগুলো দাতিনা নামে পরিচিত। এসব মাছ সাধারণত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। মাছের বায়ুথলি থেকে কসমেটিকস, ওষুধ ও বিভিন্ন উপকরণ তৈরি হওয়ায় এর চাহিদা বেশি। তবে সব সময় এ মাছ পাওয়া যায় না। সাম্প্রতিক ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার সুফলে জেলেরা এখন তুলনামূলক বেশি মাছ পাচ্ছেন। এতে জেলেদের আয়ও বাড়ছে এবং তারা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

Advertise with us
Advertise with us
স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এমপি গাজী...
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৫০৭ কোটি...
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আরও
Advertise with us

ফলো করুন Passenger Voice-এর খবর

Editor and Publisher
SAMSUDDIN CHOWDHURY
Dhaka Office
  • 26 Delwar Complex, Tikatuli, Wari, Bangladesh.
Chittagong Office
  • 35 Kadam Mobarak By-Lane, Jashim Bhaban (4th Floor), Momin Road, Chittagong.
Contact