ডেস্ক রিপোর্ট | সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | ৩৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ভোলার লালমোহন উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশের অভয়াশ্রমে ২২ দিনের চলমান সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার দায়ে মো. হানিফ (২২) নামে এক জেলেকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১৪ দিনের কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন।
অন্যদিকে চরফ্যাশন উপজেলায় মেঘনা নদী থেকে ১০ জেলেকে আটকের পর জরিমানা করেছেনে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া জব্দ করা হয়েছে জাল ও মাছ।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন লালমোহন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হক।
কারাদণ্ড প্রাপ্ত জেলে মো.হানিফ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মো. জামাল চৌকিদারের ছেলে বলে জানা গেছে।
লালমোহন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলী আহমদ আখন্দ বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে তেঁতুলিয়া নদীতে যৌথ অভিযান পরিচালনার সময় নদীতে মাছ ধরা সময় জেলে হানিফকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন।
এছাড়া অভিযানে তার কাছ থেকে দুই হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও বিভিন্ন প্রজাতির ১০ কেজি মাছ উদ্ধার করা হয়েছে। জব্দকৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করে মাছ স্থানীয় এতিমখানা ও মাদরাসায় বিতরণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন,গত ২৪ ঘণ্টার যৌথ অভিযানে মেঘনা নদীতে মাছ ধরায় আমরা ১০ জেলেকে আটক করেছি। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে আটকদের প্রত্যেককে ৩ হাজার টাকা করে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানার পর ছেড়ে দিয়েছেন। তাদের সকলের বাড়ি চরফ্যাশনের বিভিন্ন এলাকায়।
প্রসঙ্গত, ভোলা জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য মতে,গত বুধবার ৭ অক্টোবর দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে অর্থাৎ ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ২২ দিনের এ নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে আগামী ২৯ অক্টোবর। এর আওতায় রয়েছে ভোলার মেঘনা নদীর ইলিশা থেকে চরপিয়াল পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার ও তেঁতুলিয়া নদীর ভেদুরিয়া থেকে চররুস্তম পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার। এছাড়া দেশে ইলিশের ৬টি অভয়াশ্রমের মধ্যে দুটিই রয়েছে ভোলায়। নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ইলিশের অভয়াশ্রমে মাছ ধরা ক্রয়-বিক্রয় মজুত ও পরিবহন দণ্ডনীয় অপরাধ।