|

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

সেন্ট মার্টিনে বাড়ছে রাত্রিযাপনের সুযোগ, ভ্রমণে আসছে নতুন গাইডলাইন

  |   বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

সেন্ট মার্টিনে বাড়ছে রাত্রিযাপনের সুযোগ, ভ্রমণে আসছে নতুন গাইডলাইন

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত ও ভ্রমণ সংক্রান্ত বিধি-নিষেধে পরিবর্তন আসছে। দ্বীপে রাত্রীযাপনের সময়কাল বাড়াতে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বিধিমালায় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে পরিবর্তিত গাইডলাইন প্রকাশ করা হতে পারে।

মন্ত্রণালয় বলছে, সেন্ট মার্টিন দ্বীপের সুরক্ষা নিশ্চিত এবং সেখানকার জীবন-জীবিকার বিষয়গুলোও নিশ্চিত করে তারা নতুন গাইডলাইন তৈরি করছে।

২০২৪ সালের অক্টোবরে সেন্ট মার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দ্বীপটিতে পর্যটকদের ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা জারি করেছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

সেই নির্দেশনা অনুযায়ী, সেখানে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি—এই দুই মাস নির্দিষ্ট সংখ্যক পর্যটকের রাত্রিযাপনের সুযোগ রাখা হয়েছিল। নভেম্বর মাসে শুধু দিনের বেলায় সেন্ট মার্টিন ঘোরার অনুমতি ছিল, রাতে অবস্থান করা যেত না।
তবে বর্তমান সরকার সেই নির্দেশনায় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘যে মানুষটা ছয় বা সাত ঘণ্টা জার্নি করে যাচ্ছে, দুই ঘণ্টা থেকে আবার ছয় সাত ঘণ্টা জার্নি করে কক্সবাজার ফিরছে, এটা একেবারেই আনহেলদি প্র্যাকটিস।’

এ বিষয়ে মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে আলোচনা করে সেখানে রাত্রিযাপনের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে তারা একমত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। বলেন, ‘এটি নিয়ে সক্রিয় আলোচনা করা হচ্ছে, আগের নেওয়া এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে আলোচনা হচ্ছে।’

তবে বর্তমান সরকার পর্যটকের সংখ্যা কিংবা ভ্রমণের সময়সীমা আরো বাড়াবে কি না সেই বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে শুনানি বা বৈঠক হবে, সেই বৈঠকে তাদের বক্তব্যসহ সব পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে একটা গাইডলাইন দেওয়া হবে।

সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে ক্ষেত্রে যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছিল, সেখানে কোনো আলোকসজ্জাসহ বারবিকিউ পার্টি না করা, রাতে সৈকতে আলো জ্বালানো, শব্দ সৃষ্টি বা বারবিকিউ পার্টিও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

এ ছাড়াও বিধি-নিষেধের মধ্যে ছিল—দ্বীপটির কেয়াবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, কেয়া ফল সংগ্রহ বা ক্রয়-বিক্রয়, সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, রাজকাঁকড়া, শামুক-ঝিনুক ও অন্যান্য জীব-বৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না। একই সঙ্গে সৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ যেকোনো মোটরচালিত যানবাহন চলাচল না করা।

এসব বিধি-নিষিধে কোনো পরিবর্তন আসছে কি না—জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘সবার আগে এই দ্বীপটিকে সুরক্ষা করতে হবে। এখানকার জীববৈচিত্র্য যাতে সুরক্ষিত হয় সে জন্য আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি।’

সূত্র : বিবিসি বাংলা

Advertise with us
Advertise with us
চলন্ত বাসে ফুটফুটে সন্তানের জন্ম,...
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
শাহজালালে লাগেজ নিয়ে জামায়াতের ৪...
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের...
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
ফুটপাত দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত...
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
নাগরিকের স্বার্থেই হকার উচ্ছেদ তবে...
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
অক্টোবরে জ্বালানি তেলের দাম থাকছে...
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
রাড্ডা দখলের ঘটনায় সাংগঠনিক পদক্ষেপ...
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
আরও
Advertise with us

ফলো করুন Passenger Voice-এর খবর

Editor and Publisher
SAMSUDDIN CHOWDHURY
Dhaka Office
  • 26 Delwar Complex, Tikatuli, Wari, Bangladesh.
Chittagong Office
  • 35 Kadam Mobarak By-Lane, Jashim Bhaban (4th Floor), Momin Road, Chittagong.
Contact