|

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

বাস ভাঙচুরের প্রতিবাদে হবিগঞ্জে সর্বাত্মক পরিবহন ধর্মঘট, ভোগান্তি

  |   বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

বাস ভাঙচুরের প্রতিবাদে হবিগঞ্জে সর্বাত্মক পরিবহন ধর্মঘট, ভোগান্তি

মৌলভীবাজারে বাস আটকে ভাঙচুর ও শ্রমিকদের মারধরের প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল থেকে হবিগঞ্জ জেলায় অনির্দিষ্টকালের সর্বাত্মক পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। ধর্মঘটের কারণে জেলার অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য গণপরিবহনও।

ধর্মঘটের ফলে হবিগঞ্জের সঙ্গে সিলেট বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার সড়ক যোগাযোগ কার্যত ব্যাহত হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে ধর্মঘটের বিষয়টি না জেনে সকালে বাস টার্মিনালে এসে অনেক যাত্রীকে ফিরে যেতে দেখা গেছে।

হবিগঞ্জ পৌর বাস টার্মিনাল, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুর, শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজসহ বিভিন্ন স্থানে যাত্রীদের দুর্ভোগের খবর পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে হবিগঞ্জ পৌর বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে বাসগুলো। কোনো বাস টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যায়নি। আবার অন্য কোনো বাসও টার্মিনালে প্রবেশ করেনি।

বিরোধের সূত্রপাত যেভাবে
হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে ধর্মঘটের ঘোষণা দেন। তিনি অভিযোগ করেন, মৌলভীবাজারের মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দ বারবার হবিগঞ্জের বাস আটক করে শ্রমিকদের মারধর করছেন। এর প্রতিবাদেই ১ অক্টোবর সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের সর্বাত্মক পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে।

তাঁদের দাবি, পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হবিগঞ্জের বাসগুলো যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে।

আবু মঈন চৌধুরী সোহেল জানান, গত ১১ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজারে হবিগঞ্জের ২৫টি বাস আটক করে শ্রমিকদের মারধর করা হয়। এরপর ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে হবিগঞ্জ-সিলেট ভায়া মৌলভীবাজার রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গত ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ পরিবহন মালিক সমিতি হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের বাস মালিক নেতাদের ঢাকায় ডাকে। সেখানে বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন ও বাংলাদেশ পরিবহন মালিক সমিতির মধ্যস্থতায় একটি সিদ্ধান্ত হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১২ জুন সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাস চলাচল করবে এবং মৌলভীবাজারে আটক বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হবে।

তবে আবু মঈন চৌধুরী সোহেলের দাবি, ২১ সেপ্টেম্বর যোগাযোগ করা হলেও আটক বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়নি। পরে ২২ সেপ্টেম্বর বাসগুলো ফেরত পাওয়া গেলেও কয়েকটি বাস থেকে তেল ও ব্যাটারি চুরি এবং গ্লাস ভাঙচুর অবস্থায় পাওয়া যায়।

এরপর ২৪ সেপ্টেম্বর ওই রুটে পুনরায় বাস চলাচল শুরু হয়। কিন্তু এরই মধ্যে মৌলভীবাজারে আবারও হবিগঞ্জের তিনটি বাস আটকে রাখা এবং শ্রমিকদের আটকে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে রাত ১১টার দিকে শ্রমিকদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম চৌধুরী সুহেল বলেন, মৌলভীবাজারের পরিবহন নেতাদের এ ধরনের আচরণের কারণে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তিনি বলেন, হবিগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজারে পেশাগত, ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু পরিবহন বিরোধের কারণে তাঁদের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

এ অবস্থায় প্রতিবাদ হিসেবে ১ অক্টোবর থেকে হবিগঞ্জ জেলার মহাসড়কসহ সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। বাসের পাশাপাশি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য গণপরিবহন বন্ধ রাখার জন্যও আহ্বান জানানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টরা এতে সাড়া দিয়েছেন।

সর্বাত্মক ধর্মঘটের কারণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে হবিগঞ্জ জেলার সব রুটে গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। এতে সিলেট বিভাগের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন এলাকার সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।

 

Advertise with us
Advertise with us
দুর্ঘটনায় আহত অমিতাভ বচ্চন
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার...
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
বড়শিতে ধরা পড়ল সাড়ে ১৩...
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
৮ হাজার কোটির পাইপলাইন: চালুর...
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এমপি গাজী...
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আরও
Advertise with us

ফলো করুন Passenger Voice-এর খবর

Editor and Publisher
SAMSUDDIN CHOWDHURY
Dhaka Office
  • 26 Delwar Complex, Tikatuli, Wari, Bangladesh.
Chittagong Office
  • 35 Kadam Mobarak By-Lane, Jashim Bhaban (4th Floor), Momin Road, Chittagong.
Contact