|

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

সংবাদমাধ্যম প্রাসঙ্গিক না থাকলে সমাজ সংকটে পড়বে

  |   সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

সংবাদমাধ্যম প্রাসঙ্গিক না থাকলে সমাজ সংকটে পড়বে

বিশ্বের ১ হাজারেরও বেশি সংবাদমাধ্যম মিলে আয়োজন করেছে ‘ওয়ার্ল্ড নিউজ ডে’। আজ সোমবার বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। আয়োজকদের মতে, সাংবাদিকতা শিল্প যখন একটি ‘অস্তিত্ব সংকটের’ মুখোমুখি, তখন সমাজ গঠনে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ভূমিকা তুলে ধরাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া সংবাদমাধ্যমগুলোর মধ্যে আছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, রয়টার্স ও দ্য কিয়েভ ইন্ডিপেনডেন্ট। এসব প্রতিষ্ঠান ‘বিশ্বস্ত সাংবাদিকতা’র গুরুত্ব তুলে ধরতে সম্পাদকীয়, বিজ্ঞাপন ও কার্টুন প্রকাশ করেছে।

রয়টার্স ইনস্টিটিউটের সর্বশেষ ডিজিটাল নিউজ রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী সংবাদের প্রতি মানুষের আস্থা নতুন করে তলানিতে ঠেকেছে। মানুষ খবরের জন্য ক্রমেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চ্যাটবটের দিকে ঝুঁকছে।

‘ওয়ার্ল্ড নিউজ ডে’র সহ-আয়োজক ব্রাঙ্কো ব্রকিচ মনে করেন, একসময় যারা পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল, সেই সংবাদমাধ্যমগুলোকেও এখন একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি খেলার ধরন না বদলাই, তাহলে আমাদের অস্তিত্বই থাকবে না।’

২০১৮ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে ‘ওয়ার্ল্ড নিউজ ডে’-র পরিধি অনেক বেড়েছে। ‘বিশ্বস্ত সাংবাদিকতা গুরুত্বপূর্ণ’ এই বার্তার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা অনুসন্ধান ও তা ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা তুলে ধরতে চায় উদ্যোগটি।

তবে এই উদ্যোগটি এমন এক সময়ে উদযাপিত হচ্ছে, যখন রয়টার্স ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমের প্রতি মানুষের মধ্যে ‘উদ্বেগ, অনাগ্রহ ও অবিশ্বাস’ বাড়ার কথা বলা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে নতুন উৎস ও নতুন ধরনের সংবাদ উপস্থাপনার প্রতি মানুষের আগ্রহ এবং সাংবাদিকতা তার সর্বোচ্চ মানে পৌঁছালে কী দিতে পারে, সে বিষয়ে মানুষের বিশ্বাস এখনো রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত বছর অনলাইন সংবাদের প্রধান উৎস হিসেবে সংবাদপত্রের ওয়েবসাইট ও অ্যাপগুলোকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ভিডিও নেটওয়ার্কগুলো। তবে এসব প্ল্যাটফর্মের ওপর মানুষের আস্থা তুলনামূলক কম।

চলতি মাসের শুরুতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে যুক্তরাজ্যের মিডিয়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘অফকম’ জানিয়েছে, মানুষ এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি ধরনের উৎস থেকে খবর পায়। এর মধ্যে ইউটিউবের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে এবং ২০ শতাংশ মানুষ খবর পেতে এআই টুল ব্যবহার করছে।

তবে অফকম বলেছে, সংবাদসূত্র বাড়ার পাশাপাশি কাকে এবং কী বিশ্বাস করা যায়, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা বেড়েছে। তারপরও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের তুলনায় প্রচলিত সংবাদমাধ্যমকে মানুষ এখনো বেশি বিশ্বাসযোগ্য, নির্ভুল ও নিরপেক্ষ বলে মনে করে।

দক্ষিণ আফ্রিকার ডেইলি ম্যাভেরিক পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ব্রকিচ স্বীকার করেন, সংবাদমাধ্যমের পরিবেশ বদলে গেছে। তাঁর মতে, প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমগুলোকে এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘পুরোনো দিন ফিরে আসবে না। আমাদের একটি নতুন ভারসাম্য তৈরি করতে হবে, আর তা সম্ভব কেবল একজোট হয়ে কাজ করলেই।’

ব্রকিচ আরও বলেন, ‘আমরা যদি এভাবেই চলতে থাকি, তাহলে আমরা দুর্বল ও একা হয়ে পড়ব। এরপর একটা সময় বিলুপ্ত হয়ে যাব। অবিলম্বে মৌলিক কোনো পরিবর্তন না আনলে আমরা স্রেফ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাব।’

মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলো ‘ভুল করেছে’ স্বীকার করে ব্রকিচ বলেন, ‘পেশাদার ও নির্ভরযোগ্য সাংবাদিকেরা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এটা ঠিক। তবে আমাদের পাঠক-দর্শকদের সঙ্গে কথা বলতে হবে এবং তাঁদের বোঝাতে হবে যে সত্য ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে বেছে না নেওয়া তাদের নিজেদের স্বার্থেরই পরিপন্থী। বস্তুনিষ্ঠ সত্য ও তথ্য ছাড়া একটি সমাজ চলতে পারে না।’

ব্রকিচ আরও বলেন, ‘এটি তথ্যনির্ভর সমাজ। আর আমরা সেই তথ্যনির্ভর সমাজের অবকাঠামো। আমাদের ছাড়া এই সমাজ আসলে বড় ধরনের সংকটে পড়ে যাবে।’

Advertise with us
Advertise with us
সেবার মান না বাড়ালে বাস...
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২,০০০ টাকা ছাড়িয়েছে ১২ কেজির...
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রিজন ভ্যান থেকে ‘পিচ্চি রাজা’র...
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আরও
Advertise with us

ফলো করুন Passenger Voice-এর খবর

Editor and Publisher
SAMSUDDIN CHOWDHURY
Dhaka Office
  • 26 Delwar Complex, Tikatuli, Wari, Bangladesh.
Chittagong Office
  • 35 Kadam Mobarak By-Lane, Jashim Bhaban (4th Floor), Momin Road, Chittagong.
Contact