| বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ২০ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখা ও কৃষকদের চাহিদা মেটাতে মরক্কো থেকে ৭০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি ও টিএসপি সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি এবং ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার রয়েছে।দুই ধরনের সার কিনতে মোট ব্যয় হবে প্রায় ৬৮৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি পর্যায়ে চুক্তির আওতায় মরক্কো থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মাধ্যমে এ সার আমদানি করা হবে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি মেট্রিক টন ডিএপি সারের দাম পড়বে ৮৯৪ মার্কিন ডলার। ৪০ হাজার টন সার কিনতে মোট ব্যয় হবে ৩ কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।
বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৪৪০ কোটি ৯২ লাখ ৮ হাজার টাকা। এ অর্থ কৃষি ভর্তুকির বাজেট থেকে পরিশোধ করা হবে।
অন্যদিকে, একই বৈঠকে সরকারি পর্যায়ে চুক্তির আওতায় মরক্কো থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটি হবে ওই চুক্তির সপ্তম লটের সার আমদানি।
৩০ হাজার টন টিএসপি সার কিনতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ৫৯ হাজার ৬৬০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন টিএসপি সারের দাম পড়বে ৬৬৯ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার। এ ক্ষেত্রেও মরক্কোর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহকারী হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে।
মরক্কো থেকে সরকারি পর্যায়ে ডিএপি সার আমদানির আগের চুক্তির কার্যক্রম শেষ হওয়ায় গত ২৫ জুন নতুন করে চুক্তি নবায়ন করা হয়েছে। ওই চুক্তিতে নির্ধারিত মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক বাজারের বর্তমান দর বিবেচনায় নিয়ে এবারের ডিএপি সারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মরক্কো থেকে মোট ৫ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এরই মধ্যে দেশটি থেকে ২ লাখ টন ডিএপি সার আমদানি করা হয়েছে। নতুন করে আরও ৪০ হাজার টন আমদানির অনুমোদন দেওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে সরবরাহ আরও বাড়বে।