|

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

পুরাতন গাড়ির যন্ত্রাংশের আড়ালে বিএমডব্লিউ রেসিং কার ও যন্ত্রাংশ আমদানি

ডেস্ক রিপোর্ট   |   বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

পুরাতন গাড়ির যন্ত্রাংশের আড়ালে বিএমডব্লিউ রেসিং কার ও যন্ত্রাংশ আমদানি

চট্টগ্রাম বন্দরে ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানির ঘোষণায় বিএমডব্লিউ স্পোর্টস কার ও বিএমডব্লিউর যন্ত্রাংশের সন্ধান পেয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) কাস্টমস গোয়েন্দার অভিযানে এমন একটি চালান ধরা পড়েছে বলে এনবিআরের জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে। অভিযানে ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানির ঘোষণায় একটি বিএমডব্লিউ স্পোর্টস কার, আরেকটি বিএমডব্লিউ ৭৪ওআই সামনের অর্ধাংশ এবং পাঁচটি হাফ-কাট ইসুজু ট্রাক পেয়েছে বলে জানা গেছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা জানায়, চট্টগ্রাম বন্দরে সন্দেহভাজন চালানটিতে ব্যবহৃত গাড়ির ডিফারেনশিয়াল অ্যাসেম্বলি, পাওয়ার স্টিয়ারিং অ্যাসেম্বলিসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আমদানির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কায়িক পরীক্ষায় ঘোষিত পণ্যের সঙ্গে বাস্তবে পাওয়া পণ্যের উল্লেখযোগ্য অসংগতি দেখা যায়। এতে গাড়ির গুরুত্বপূর্ণ অংশসহ একাধিক যানবাহন পাওয়ায় আমদানি ঘোষণা, প্রকৃত পণ্যের পরিচয় ও বৈধতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স আয়াজ অটো ইন্টারন্যাশনাল। যার সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আমিন (সিঅ্যান্ডএফ) প্রাইভেট লিমিটেড। রপ্তানিকারক সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক আরব জাপান ইউজড কারস অ্যান্ড স্পেয়ার পার্টস কোম্পানি এলএলসি। কায়িক পরীক্ষায় প্রথমে সম্পূর্ণ খোলা বা যন্ত্রাংশ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি দুই আসনের বিএমডব্লিউ স্পোর্টস/রেসিং কার পাওয়া যায়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে গাড়িটি ২০০৯ সালের মডেল S Drive 23i, ইঞ্জিনের ধারণক্ষমতা প্রায় ২ হাজার ৫০০ সিসি।

একই চালানে বিএমডব্লিউ ৭৪ওআই মডেলের একটি গাড়ির সামনের অর্ধাংশ বা ফ্রন্ট হাফ। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গাড়িটির মডেল ইয়ার ২০১৬ এবং ইঞ্জিনের ধারণক্ষমতা প্রায় ৩ হাজার সিসি। গাড়িটির শুধু সামনের অংশ চালানে পাওয়া যাওয়ায় বিষয়টি বিশেষভাবে খতিয়ে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দা। এর অবশিষ্ট অংশ অন্য কোনো চালানে আমদানি করা হয়েছে কি না, কিংবা পৃথক চালানে এনে পরে গাড়িটি পুনঃসংযোজনের কোনো পরিকল্পনা ছিল কি না, তা তদন্তের আওতায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত তথ্য পাওয়া যায়নি।

কাস্টমস গোয়েন্দা আরও জানায়, চালানটিতে আরও পাওয়া গেছে পাঁচটি হাফ-কাট ইসুজু ট্রাক। প্রতিটি ট্রাকের কেবিনের ভেতরে বিভিন্ন গাড়ির যন্ত্রাংশ প্যাক করে রাখা হয়েছিল। এছাড়া চালানে আরও বিভিন্ন ধরনের ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়। কাস্টমস গোয়েন্দার পর্যবেক্ষণে ঘোষিত পণ্যের বিবরণ ও বাস্তবে পাওয়া পণ্যের ধরন এবং অবস্থার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য ধরা পড়ে। ফলে পণ্যের প্রকৃত পরিচয়, পরিমাণ, মূল্য এবং আমদানির অনুমোদনসংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই করা হচ্ছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা বলছে, ঘোষণার সঙ্গে বাস্তবে পাওয়া পণ্যের অসংগতি থেকে পণ্যের ভুল ঘোষণা বা মিসডিক্লারেশনের বিষয়টি সামনে এসেছে। এর মাধ্যমে শুল্ক-কর ফাঁকির চেষ্টা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দরে ঘোষণার আড়ালে গাড়ি বা গাড়ির গুরুত্বপূর্ণ অংশ আমদানির এ ধরনের প্রচেষ্টা শনাক্তে নজরদারি জোরদার করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

Advertise with us
Advertise with us
মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিন...
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সৌদির ২ বিমানবন্দর ও ৪...
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
চোখে জল, মুখে বাবার নাম-...
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
বাসে প্রসাধনী বিক্রি করতেন এই...
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
আরও
Advertise with us

ফলো করুন Passenger Voice-এর খবর

Editor and Publisher
SAMSUDDIN CHOWDHURY
Dhaka Office
  • 26 Delwar Complex, Tikatuli, Wari, Bangladesh.
Chittagong Office
  • 35 Kadam Mobarak By-Lane, Jashim Bhaban (4th Floor), Momin Road, Chittagong.
Contact