|

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ভাবে গড়ে তুলতে নেওয়া হচ্ছে মেগা মাস্টারপ্ল্যান

  |   শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২০৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ভাবে গড়ে তুলতে নেওয়া হচ্ছে মেগা মাস্টারপ্ল্যান

আন্তর্জাতিক পর্যটন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে কক্সবাজারকে গড়ে তুলতে নেওয়া হচ্ছে মেগা মাস্টারপ্ল্যান। ২০২৬ সালের মধ্যেই এ মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে নগর ব্যবস্থাপনা, পর্যটন অবকাঠামো, যোগাযোগ, পরিবেশ ও নাগরিক সেবায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

পর্যটনের পাশাপাশি শিক্ষা, গবেষণা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে কক্সবাজারকে জাতীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ গ্রোথ হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। শৈবাল ও লাবণী বিচ এলাকাকে ঘিরে প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশ্বমানের পর্যটন অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

মাস্টারপ্ল্যানে পরিবেশবান্ধব পর্যটনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রসৈকত, পাহাড়, বনাঞ্চল ও জীববৈচিত্র্য বিবেচনায় নিয়ে ইকো-রিসোর্ট, হোটেল ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় বিদ্যমান ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজারকে স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে আধুনিক বর্জ্য ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, নিরাপদ পানি, পানি শোধনাগার, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা ও পর্যটন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা দেখাচ্ছে একসঙ্গে ঝিনুক-কোরাল চাষ

যোগাযোগব্যবস্থায়ও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বিমানবন্দর ও রানওয়ে সম্প্রসারণ, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল যোগাযোগ এবং মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার উদ্যোগকে। প্রায় ৮০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভ, ইনানী, পাটুয়ারটেক ও টেকনাফে ইকো-ট্যুরিজমের সম্ভাবনাও কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে কক্সবাজারে দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতির নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, পরিবেশের ভারসাম্য, পর্যটন অবকাঠামো, আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সুবিধাকে সমন্বয় করেই মাস্টারপ্ল্যান করা হচ্ছে। এটি চূড়ান্ত হলে অপরিকল্পিত উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পর্যটন ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

তবে স্থানীয় ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা চান, উন্নয়নের সুফল যেন স্থানীয় জনগণও পান। আর পরিবেশবাদীদের দাবি, উন্নয়নের নামে সৈকত ও জীববৈচিত্র্য নষ্ট করা যাবে না। সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক পর্যটন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

Advertise with us
Advertise with us
আ.লীগকে ফিরিয়ে আনার মাশুল বাবার...
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
ভুয়া মনে করে পুলিশ সদস্যদের...
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
অনুমোদিত মূলধন ১০ হাজার কোটি...
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
আরও
Advertise with us

ফলো করুন Passenger Voice-এর খবর

Editor and Publisher
SAMSUDDIN CHOWDHURY
Dhaka Office
  • 26 Delwar Complex, Tikatuli, Wari, Bangladesh.
Chittagong Office
  • 35 Kadam Mobarak By-Lane, Jashim Bhaban (4th Floor), Momin Road, Chittagong.
Contact