| বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) আমদানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন গাড়ি আমদানিকারকরা।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নগরের লালখান বাজার এলাকায় বারভিডার ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
প্রতিবাদের অংশ হিসেবে এদিন চট্টগ্রামের আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন এলাকার সব গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের শোরুম ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দিনব্যাপী বন্ধ রাখা হয়। একই সঙ্গে কাস্টমস হাউজ থেকে গাড়ি খালাস, পেমেন্ট প্রদান এবং বিআরটিএ-তে সব ধরনের মোটরযান রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমও স্থগিত রাখা হয়।
গত ২৪ আগস্ট প্রকাশিত নতুন আমদানি নীতি আদেশে প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এর প্রতিবাদেই কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে চট্টগ্রামেও এই আন্দোলন শুরু করেন ব্যবসায়ীরা।
বিক্ষোভ চলাকালে আমদানিকারকরা নতুন আমদানি নীতি আদেশে ব্যবহৃত ইভি আমদানির ওপর আরোপিত সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান। তারা সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে পাঁচ বছর পর্যন্ত পুরোনো ইভি আমদানির সুযোগ রাখার দাবি তুলে ধরে বলেন, এক্ষেত্রে গাড়ির ব্যাটারির ‘স্টেট অব হেলথ’ (এসওএইচ) ন্যূনতম ৭০ শতাংশ থাকা এবং নিরাপত্তা ও পরিবেশগত মানদণ্ড নিশ্চিত করার শর্ত দেওয়া যেতে পারে।
ব্যবসায়ীদের মতে, নতুন বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম সাধারণ মানুষের ক্ষমতার বাইরে হওয়ায় রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির সুযোগ দিলে তা মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে আসবে। এছাড়া সরকারের ২০২৩ সালের গাইডলাইন অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক পরিবহন খাতে ৩০ শতাংশ ইভি ব্যবহারের লক্ষ্য অর্জনে এই খাতকে সচল রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেন তারা।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত দেশের মোটরযান খাতের জন্য কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না। সরকার যদি দ্রুত এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে যুক্তিসংগত সুযোগ না দেয়, তবে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিতে বাধ্য হবেন।’
এর আগে গত বুধবার বারভিডার মহাসচিব রিয়াজ রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেশব্যাপী শোরুম বন্ধ ও গাড়িসংক্রান্ত সেবা স্থগিত রাখার এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল।