শিরোনাম
Passenger Voice | ০১:৩৯ পিএম, ২০২১-০৪-০৮
করোনায় লকডাউনের কারণে যাত্রিবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ। এতে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের উপর গুরুত্ব দিয়েছে রেলওয়ে। প্রতিদিন সাতটি করে মালবাহী ট্রেন চালানো হচ্ছে। যাত্রিবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় পণ্যবাহী ট্রেন চালিয়ে কিছুটা ক্ষতি কমানোর পক্ষেই সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। যে কারণে বাড়তি পণ্যবাহী ট্রেন চালাতে এবার যাত্রিবাহী ট্রেনের ইঞ্জিন ও চালকদেরও কাজে লাগানো হচ্ছে।
প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী বোরহান উদ্দিন বলেন, শুধুমাত্র মালগাড়িগুলো চলছে। ওয়ার্কশপে পুরোদমে কাজ চলছে। মোটামুটি ট্রেন চালানো ছাড়া ওয়ার্কশপে রক্ষণাবেক্ষণের সব ধরনের কাজ চলছে। এখন অপারেশনাল কাজ কম। ইঞ্জিন, এলএম এদের কোন কাজ নেই। এরপরেও আমরা ইঞ্জিন বসিয়ে রাখি নাই। পর্যায়ক্রমে সব ইঞ্জিন চালাচ্ছি। লোকোমাস্টারদের যাত্রীবাহি গাড়ি থেকে এনে মালগাড়িতে নিয়ে আসছি। সবাইকে কাজে ব্যস্ত রাখা হয়েছে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, লকডাউন শুরুর আগে মালাবাহী ট্রেন চলতো দুই থেকে তিনটি। সড়কে পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় এখন পণ্যবাহী ট্রেন চালানো হচ্ছে সাতটি। এসব ট্রেনে করে খাদ্য, তেলসহ যাবতীয় পণ্য পরিবহন করা হচ্ছে। যাত্রিবাহী ট্রেন বন্ধের কারণে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ায় পণ্য পরিবহন থেকে কিছুটা আয় বাড়ানোর পথ খুঁজছে রেল। মালবাহী ট্রেন চলাচল বাড়াতে বিভাগীয় ব্যবস্থাপক বরাবরে চিঠি দিয়েছেন সিওপিএস অফিস। এ চিঠিতে রেলের লোকসান কমাতে যত বেশি সম্ভব মালবাহী ট্রেন চালানোর পক্ষে নির্দেশনা তুলে ধরা হয়।
এ চিঠি পাওয়ার পর মালবাহী ট্রেন বাড়ানোর পরিকল্পনা নিলেও ইঞ্জিন ও লোকোমাস্টার সংকটে তা বাধার মুখে পড়েছে। যে কারণে বন্ধ থাকা যাত্রিবাহী ট্রেনের ইঞ্জিন ও লোকোমাস্টার (চালক) দিয়েই মালবাহী ট্রেন চালানোর পক্ষে মতামত দেয়া হয়েছে। এমন মতামত পেয়ে যান্ত্রিক বিভাগ থেকে মালবাহী ট্রেন প্রস্তুত করতে ব্যাপক উদ্যোগ নেয়া হয়। ইতোমধ্যে যাত্রিবাহী ট্রেনের ইঞ্জিন ও চালকদের পর্যায়ক্রমে পণ্যবাহী ট্রেনে যুক্ত করা হচ্ছে। পণ্যবাহী ট্রেন চালানোর লক্ষ্যে রেল ওয়ার্কশপেও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে জোর দিয়েছে যান্ত্রিক বিভাগ। যাত্রিবাহী ট্রেন বন্ধের এই সময়েও পুরোদমে ওয়ার্কশপে কাজ চলছে বলে জানা যায়।
সম্প্রতি হেফাজতের তান্ডবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সোনার বাংলা ট্রেনের সংস্কার কাজ শেষ হয়েছে। এ ট্রেনের ১৪টি গ্যাস নতুন করে লাগানো হয়েছে। আজকালের মধ্যেই এই ট্রেনটির পুরোপুরি সংস্কার কাজ শেষ হবে।
যাত্রিবাহী ট্রেন চালু হলেই এ ট্রেনটি পুনরায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করবে।
সিএমই বোরহান উদ্দিন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সোনার বাংলা ট্রেনের ১৪টি গ্যাস ভেঙ্গেছিল। ইতোমধ্যে ১৩টির কাজ শেষ হয়েছে। অন্যটিও শেষ হয়ে যেতো, গ্যাস সরবরাহ দিতে দেরি হওয়ায় একটু সমস্যা হয়েছে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত