কতজনকে 'দায়মুক্তি' দিয়ে যান দুদক প্রধান- জানতে চান আদালত

Passenger Voice    |    ১১:৪৮ এএম, ২০২১-০৩-১৭


কতজনকে 'দায়মুক্তি' দিয়ে যান দুদক প্রধান- জানতে চান আদালত

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ অবসরে যাওয়ার আগের পাঁচ মাসে দুদকের অনুসন্ধান থেকে কতজনকে 'দায়মুক্তি' দিয়েছেন, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। 

'দায়মুক্তি' দিয়ে থাকলে কেন তা দেওয়া হয়েছে তার ব্যাখ্যা চেয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে যাদের দেওয়া হয়েছে তাদের নাম-ঠিকানাসহ তালিকা ১১ এপ্রিলের মধ্যে দাখিল করতে দুদক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে  মঙ্গলবার এই আদেশ দেন।

গত ১৪ মার্চ একটি পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদায়ের আগে 'দুর্নীতির বহু রাঘববোয়াল'কে ছেড়ে দেন ইকবাল মাহমুদ। প্রতিবেদনটি নজরে আসার পর হাইকোর্ট আদেশ দেন। একই সঙ্গে প্রতিবেদককে এ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। ইকবাল মাহমুদ ২০১৬ সালের ১০ মার্চ দুদক চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেন। গত ৯ মার্চ তিনি অবসরে যান।

এদিকে সরকারি সংস্থা সাধারণ বীমা করপোরেশনে ১০ বছর ধরে 'জালিয়াতি' এবং ২৬ কোটি টাকা আত্মসাতের যে অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে সংস্থাটির অবস্থান কী, তাও জানতে চেয়েছেন হাইকোর্টের এই বেঞ্চ। সাধারণ বীমা কর্তৃপক্ষকে তা লিখিতভাবে ১১ এপ্রিলের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে। 

মঙ্গলবার একটি জাতীয় দৈনিকে '১০ বছর ধরে জালিয়াতি, ২৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ' শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, 'জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক হিসাব খুলে রাষ্ট্রীয় সংস্থা সাধারণ বীমা করপোরেশনের (এসবিসি) আয় থেকে ২৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে একটি চক্র। চক্রটির নেতৃত্ব দিয়েছেন এ সংস্থারই প্রধান কার্যালয়ের অডিট অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স বিভাগের ব্যবস্থাপক আবুল কাশেম। ১০ বছর ৬ মাস ধরে এ কাণ্ড ঘটে চললেও এসবিসি ছিল পুরোপুরি অন্ধকারে।' এই প্রতিবেদনটিও আদালতের নজরে আসে। আদেশে প্রতিবেদককে যাবতীয় তথ্য আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন মানিক সাংবাদিকদের বলেন, দুটি পত্রিকার দুটি প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনা হলে স্বপ্রণোদিত হয়ে হাইকোর্ট আদেশ দিয়েছেন।