যুক্ত হচ্ছে ৪০ ইঞ্জিন

মার্কিন ইঞ্জিনে ট্রেন চলবে ১৩০ কিমি গতিতে

Passenger Voice    |    ১১:৩৫ এএম, ২০২১-০২-০৪


মার্কিন ইঞ্জিনে ট্রেন চলবে ১৩০ কিমি গতিতে

বাংলাদেশ রেলে যুক্ত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনা উচ্চগতিসম্পন্ন ৪০টি ব্রডগেজ ইঞ্জিন, যার গতি হবে ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার। দ্রুতগতির এসব ইঞ্জিন আসা শুরু হবে আগামী মাস থেকেই। পাশাপাশি কোরিয়া থেকে আনা হবে উচ্চগতিসম্পন্ন আটটি মিটারগেজ ইঞ্জিন। এ ছাড়া কক্সবাজারের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ শুরু হবে আগামী বছরের শেষ দিকে।

গতকাল বুধবার রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন তার নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র‌্যাব) নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান। দুপুরে রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ক্র‌্যাবের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি। এ সময় ক্র‌্যাব সভাপতি মিজান মালিক, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আরিফসহ কমিটির অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নেতাদের প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, ‘সারাদেশে রেল যোগাযোগ বাড়াতে আরও চারটি বড় রেলস্টেশন স্থাপনের কাজ চলছে। চলতি অর্থবছরেই ৫০টি জরাজীর্ণ রেলস্টেশন সংস্কার ও আধুনিকায়নের কাজ বাস্তবায়ন হবে। যেসব স্টেশনের ফ্ল্যাটফরমগুলো নিচু, সেগুলো উঁচু করা হবে।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘যেদিন পদ্মা সেতু উদ্বোধন হবে, ওই দিনই ভাঙা থেকে মাওয়া পর্যন্ত শুরু হবে রেল চলাচলও। ঢাকা-যশোর পদ্মা লিংক রেললাইনে কোনো গেট থাকবে না। সব ওভারপাস ও আন্ডারপাস থাকছে। পদ্মার কাজ সম্পন্ন হলে সারাদেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ নতুনমাত্রা যোগ হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা রেলক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা কমাতে কাজ করছি। ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করেছি। রেল তার নিজের নিরাপত্তার স্বার্থেই রেল ক্রসিংগুলোতে দুর্ঘটনা রোধে কাজ করছে।’

কমলাপুর রেলস্টেশনকে আরও আধুনিক করা হচ্ছে জানিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে ৩৩ প্রকল্পে ফোর্থ লাইন, থার্ড লাইন ও ডাবল লাইনের কাজ চলছে। কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে টঙ্গী পর্যন্ত চার লাইন, ঢাকা-চট্টগ্রাম ডাবল লাইন আগামী বছরই চালু হবে বলে আমরা আশা করছি। যমুনা রেল সেতুর কাজ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া মুন্সীগঞ্জ-সাতক্ষীরা-খুলনা রেললাইনের স্থাপনের ফিজিভিলিটি স্টাডি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রকল্পের জন্য অর্থ সংগ্রহের কাজ চলছে। রেলের চলমান এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রেলে অভাবনীয় পরিবর্তন আসবে।’

তিনি বলেন, ‘একসময় মানুষের ট্রেনের প্রতি আগ্রহ ছিল না। বর্তমানে রেলের উন্নয়নের ফলে মানুষের আগ্রহ ও আস্থা বেড়েছে এবং রেলে যাত্রীর সংখ্যাও বাড়ছে।’