শিরোনাম
ঢাকায় হঠাৎ বাসে আগুন
Passenger Voice | ০৩:৫৫ পিএম, ২০২০-১১-১৪
২০১৩ সালের ১২ নভেম্বর। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ডাকা হরতালের তৃতীয় দিন রাজধানীর মাতুয়াইলে কোমল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে গানপাউডার দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ওই আগুনে ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রী রাবেয়া সুলতানাসহ ৯ জন গুরুতর দগ্ধ হন। বাসযাত্রীদের যন্ত্রণাকাতর ছবি পরদিন প্রায় সব পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।\হকী কাকতালীয় ঘটনা! সেই ১২ নভেম্বর; দীর্ঘদিন পর ঢাকায় আবার আগুন সন্ত্রাসের বিভীষিকা। বৃহস্পতিবার একই দিনে রাজধানীতে ১২টি গাড়িতে আগুন দেওয়া হলো। এবারও বাসে আগুনের ঘটনায় গানপাউডার ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে। এরই মধ্যে ঘটনাস্থল থেকে জব্দ আলামত পরীক্ষা করে গানপাউডার থেকে আগুন ধরানোর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন পুলিশের বিস্ম্ফোরক ও বোমা বিশেষজ্ঞরা। এখন গানপাউডারের উৎস অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। সংশ্নিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্র থেকে গতকাল এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গতকাল শুক্রবার ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, এতগুলো বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা পুরোপুরি পরিকল্পিত। এর নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। এরই মধ্যে আমরা কিছু ছবি পেয়েছি। এখন ওই ছবি থেকেই জড়িতদের নাম-পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। বাসে যারা আগুন দিয়েছে, তারা কয়েকটি জায়গায় গানপাউডারও ব্যবহার করেছে। ঢাকায় বৃহস্পতিবার একটি আসনে নির্বাচন ছিল। প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা,\হআগুন দেওয়ার সঙ্গে নির্বাচনের একটা যোগসূত্র আছে। সংঘবদ্ধ কোনো গ্রুপ এ ঘটনায় জড়িত।
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ঢাকায় বাড়ানো হয়েছে চেকপোস্ট। নানামুখী গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, এখন পর্যন্ত যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রযুক্তিগত তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যে, হঠাৎ করে ২০১৩-১৪ সালের মতো একইভাবে বাস ও যাত্রীদের টার্গেট করে যানবাহনে আগুন লাগানোর এই ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত। একাধিক স্পটের সিসিটিভির ফুটেজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিশ্নেষণ করে এরই মধ্যে বেশ কয়েকজনকে শনাক্ত করেছেন; যাদের আগুন লাগাতে অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে। তবে পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, হঠাৎ ঢাকায় বাসে আগুন দেওয়ার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল। পানি ঘোলা করতে চায় কেউ। চলমান শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশে আকস্মিক এ ধরনের নাশকতার জন্য পুলিশ প্রস্তুত ছিল না। তবে আগুনের ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার ঢাকা-১৮ আসনে উপনির্বাচন চলাকালে রাজধানীর সাতটি থানায় ১২টি বাসে আগুন দেওয়া হয়। এতে অনেকের মধ্যে ছয়-সাত বছর আগে রাজধানীতে অগ্নি-সন্ত্রাসের সেই অমানবিক বিভীষিকার দৃশ্যপট চোখের সামনে ভেসে ওঠে। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বাস পোড়ানোর ঘটনায় সাত থানায় ইতোমধ্যে ১১টি মামলা করেছে পুলিশ। এ ছাড়া পুলিশের ওপর হামলা, নাশকতা ও বিস্ম্ফোরণের ঘটনায় আরও চারটি মামলা হয়েছে। সব মিলিয়ে মামলার সংখ্যা ১৫। পুলিশের উত্তরা বিভাগের তিনটি থানায় চারটি মামলা করা হয়। চার মামলায় হুকুমের আসামি হলেন ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপিদলীয় পরাজিত প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে দায়ের করা এসব মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ছাত্রদল সভাপতি ফজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশেন নির্বাচনে বিএনপির পরাজিত মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেনসহ এজাহারনামীয় আসামির সংখ্যা পাঁচ শতাধিক। প্রতিটি মামলায় অজ্ঞাত আরও অনেককে আসামি করা হয়। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের অনেক শীর্ষ নেতা একাধিক মামলায় আসামির তালিকায় আছেন। আসামিদের মধ্যে গতকাল পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩৯ জনকে। তাদের মধ্যে শুক্রবার ২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। পুলিশের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, পল্টন এলাকায় বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় সরাসরি জড়িত অন্তত সাতজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে তাদের শনাক্ত করা হয়। তারা একত্র হয়ে বাসটির পেছন থেকে আগুন ধরিয়ে দেয়। এরই মধ্যে তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে। এ ছাড়া মামলার এজাহারভুক্ত অন্য আসামিদের ধরতেও মাঠে নেমেছে পুলিশ-র্যাব।
ঢাকা মহানগর পুলিশের বোমা নিষ্ফ্ক্রিয়করণ দলের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ চৌধুরী বলেন, আগুনে পোড়া সব বাস থেকে আলামত সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। গানপাউডারের অস্তিত্ব মিলেছে।
সিসিটিভি ও ফোনালাপ নিয়ে তদন্ত শুরু :সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্নেষণ করে দেখা গেছে, অধিকাংশ জায়গায় যাত্রীবেশে উঠে বাসে আগুন দেওয়া হয়। আগুন দেওয়ার পর তারা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। আগুন লাগার পর আতঙ্কিত লোকজন দিজ্ঞ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন। পুলিশ নয়াপল্টন ও রাজধানীর আরও কিছু এলাকা থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করছে। এ ছাড়া ফোনালাপ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
এরই মধ্যে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফাঁস হওয়া একটি ফোনালাপ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে এসেছে। রেকর্ডে শোনা যায়, আগুন দেওয়ার ঘটনা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরীকে অবহিত করছেন ফরিদা ইয়াসমিন নামে এক নারী। বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে ওই নামে একজনের নাম পাওয়া গেছে। ফরিদার কথায় আগুনের ঘটনায় 'যুবদলের' সংশ্নিষ্টতা উঠে আসে।
অভিযান শুরু : গাড়ি পোড়ানো ও বিস্ম্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলার পর গ্রেপ্তার অভিযান জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আসামিদের ধরতে এরই মধ্যে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে তৎপর। ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিসি (মিডিয়া) ওয়ালিদ হোসেন বলেন, অভিযান শুরু হয়ে গেছে। আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
২৮ নেতাকর্মী রিমান্ডে : বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ২৮ নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। পুলিশের আবেদনের পর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত গতকাল এই আদেশ দেন। বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় করা পৃথক মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, নাশকতার উদ্দেশ্যে আসামিরা বাসে আগুন দিয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, হয়রানি করার জন্য তাদের মক্কেলদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। এসব ঘটনার সঙ্গে আসামিরা জড়িত নন। রিমান্ডপ্রাপ্ত ২৮ আসামির সবাই বিএনপির নেতাকর্মী। তারা হলেন- আলীজাল আহমেদ, মেহেদী হাসান, একেএম ফজলুল বারী, আলতাফ, নাঈম, আসিফ, হুমায়ুন, মাসুকুর রহমান, রাশেদুজ্জামান, আবদুর রহমান তাহের, জাকির হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, আবু সুফিয়ান, সোহেল, হযরত আলী, মইনউদ্দিন, আবু সাঈদ, মাহিদুর রহমান, মাইন উদ্দিন চৌধুরী, শফিউদ্দিন আহমেদ, মেদু রহমান প্রমুখ।
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে যে ১২ বাসে আগুন দেওয়া হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের বিপরীতে একটি, গুলিস্তানের গোলাপশাহ মাজার এলাকায় একটি, মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংক কলোনির প্রধান গেটের বিপরীতে একটি, মতিঝিলের জোয়ার সাহারা বাস ডিপো রূপায়ন হাউজিং প্রজেক্টের সামনে একটি, বংশাল নয়াবাজারে একটি, সচিবালয় এলাকায় একটি, আজিজ সুপার মার্কেটের পশ্চিম পাশে একটি, কমলাপুরের শাহজাহানপুর রোডে একটি, ভাটারার কোকা-কোলা মোড়ে একটি, বিমানবন্দর থানা এলাকায় একটি, খিলক্ষেতে একটি ও উত্তরার আজমপুরে একটি বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়। গানপাউডার ও পেট্রোল ব্যবহার করে এসব গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে আলামত পেয়েছে পুলিশ। বাস পোড়ানোর ঘটনায় পল্টন থানায় দুটি, মতিঝিল থানায় দুটি, শাহবাগ থানায় দুটি, বংশাল থানায় একটি, ভাটারা থানায় একটি, বিমানবন্দর থানায় একটি ও উত্তরা পূর্ব থানা এবং খিলক্ষেতে দুটি মামলা করে পুলিশ। মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ম্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাগুলো করা হয়েছে। সব মামলার অভিযোগ প্রায় অভিন্ন। এজাহারে বলা হয়েছে, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনসহ ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশে বৃহস্পতিবার ঢাকা-১৮ আসনে জাতীয় সংসদ উপনির্বাচনকে বানচাল করার উদ্দেশ্যে বাসে অগ্নিসংযোগ করেছে। পূর্বপরিকল্পিতভাবে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড, সম্পদের ক্ষতিসাধন, জননিরাপত্তা বিপন্ন ও বাসের যাত্রীদের হত্যার উদ্দেশ্যে আগুন লাগানো হয়। এ ছাড়া বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পান্থপথে বিএনপি নেতাকর্মীরা মিছিল করে পুলিশের ওপর হামলা, নাশকতা ও সরকারের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে কলাবাগান থানায় একটি মামলা করেছে পুলিশ। উত্তরা পূর্ব, সূত্রাপুর ও তুরাগ থানায় বিস্ম্ফোরক আইনেও মামলা হয়েছে।\হমোট ১৫ মামলায় আসামি পাঁচ শতাধিক। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আসামি অসংখ্য। অধিকাংশ আসামি বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনসহ ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মী। ৩৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে পল্টন থানার দুটি মামলায় ৯ জন, শাহবাগ থানার দুটি মামলায় ছয়জন, মতিঝিল থানায় একজন, বংশাল থানায় দু'জন, উত্তরা পূর্ব থানায় ৯ জন ও কলাবাগান থানায় দু'জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার তাদের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। ২৮ জনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
আসামি যারা : পল্টন থানায় দায়ের করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ ৭৬ বিএনপি নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদক খন্দকার মাসকুর রহমান, কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মেরাতাজুল করিম বাদরু, সহসভাপতি আব্দুল খালেক হাওলাদার, জাকারিয়া মঞ্জুর, আলী আকবর চুন্নু, ইউসুফ বিন জলিল কালু, মোনায়েম মুন্না, গোলাম রব্বানী, আব্দুল বাতেন শামীম, রবিউল আওয়াল লাভলু, আবু সেলিম চৌধুরী, ইকবাল রশিদ অপু, শহীদ উল্লাহ তালুকদার, মাহফুজুর রহমান ফরহাদ, এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, রফিকুল আলম মজনু ও রুহুল আমিন আকিল, কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন, গোলাম মাওলা শাহীন, মাসুদ আহমেদ মিলন, নুরুল ইসলাম খান মাসুদ, আলী আশরাফ, গাজী গিয়াস, কামাল উদ্দিন, মাহফুজুর রহমান মিনার, মহসিন মোল্লা, সরোয়ার হোসেন, রেজা পাহলভী মাসুম, হারুনুর রশিদ, শফিকুল ইসলাম মিল্টন, শরীফ হোসেন, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম, আব্দুল জব্বার, আব্দুল মমিন সবুজ, ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সভাপতি খন্দকার এনামুল হক এনাম, সিনিয়র সহসভাপতি কামাল হোসেন, সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন মানিক, নুরুল আফসার ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুন্নবী মিয়া, আতিকুর রহমান, ওমর ফারুক প্রমুখ। মতিঝিল থানায় বাস পোড়ানোর ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় আসামি করা হয়েছে ৮৭ জনকে।
আসামিরা হলেন- ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির পরাজিত মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন, তার পিএস আরিফ হোসেন ও মাইনুর, ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের সহসভাপতি মনির হোসেন, পাভেল সিকদার, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহেল, মাহবুবুর রহমান জামান, সাব্বির আহমেদ দিপু, রিয়াদ হাসান উজ্জ্বল, সামসুল হক, আমিনুল ইসলাম আমিন, ওমর তাহের বাবু, মহসিন আলী লিটন, কফিল উদ্দিন ভূঁইয়া, কামরুল হাসান তালুকদার, আহসানুল হক রুবেল, মাহবুব হোসেন তুহিন, সোহেল আহমেদ, বিএনপি নেতা মনোয়ারুল ইসলাম তিতাস, কাজী হাবীবুর রহমান হারুন, রফিকুল ইসলাম রতন, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মাহফুজুর রহমান, সামসুর রহমান, আবু সুফিয়ান দুলাল, জিএম বাবুল, মাহতাব আলম, আনোয়ারুল হক, গোলাম হাফিজ নাহিন, আতিকুর আতিক, মাজহারুল ইসলাম বাবু, কামাল আনোয়ার আহমেদ, জিয়াউর রহমান জিয়া, তরুণ দে, শাহ আলম, মতিঝিল থানা যুবদল সভাপতি ইকবাল হোসেন বাবলু, থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন, সদস্য ফজলুল হক ফজলু, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি এনামুল হক মল্লিক, ওয়ার্ড যুবদল নেতা জনি, মিজানুর রহমান রানা প্রমুখ।
শাহবাগ থানায় দুটি মামলায় ৭৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন- কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান মনির, সহসাধারণ সম্পাদক শহীদুর রহমান মামুর, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোকসেদুর রহমান আবিদ, বশির উদ্দিন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি মোহন মোল্লা, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম স্বপন, আবুল কালাম আজাদ, বিএনপি নেতা আবু সুফিয়ান, সোহেল প্রমুখ।
কলাবাগান থানায় পুলিশের ওপর হামলা ও নাশকতা মামলায় আসামি করা হয়েছে ৪৯ জনকে। আসামিরা হলেন- কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি ফজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহসভাপতি শেখ রবিউল ইসলাম রবি, সিরাজুল ইসলাম ওরফে সিরাজ কমিশনার, যুগ্ম সম্পাদক সাদিকুর রহমান টুটুল, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক মারুফ এলাহী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রাকিব, সদস্য সচিব আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, কলাবাগান থানা যুবদল নেতা শাহ আলম সৈকত প্রমুখ।
ভাটারা থানার দায়ের করা মামলার আসামিরা হলেন- কাজী হযরত আলী, আতাউর রহমান, যুবদল নেতা মিল্টন, শাহিনুর আলম মারফত, ডিএম নজরুল ইসলাম, আক্তার হোসেন, নজরুল ইসলাম, আক্তারুজ্জামান, মোবারক হোসেন, এসএম ফজলুল হক, মোবারক হোসেন দেওয়ান, সোহরাব হোসেন স্বপন, মুরাদ মজুমদার, মিজানুর রহমান রাজ, সাজ্জাদ হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন, হাবিবুর রহমান, রাসেল বাবু, মোস্তাফিজুর রহমান, মোস্তফা কামাল রিয়াদ, শফিকুর ইসলাম, শরীফ উদ্দিন জুয়েল, মোস্তফা জগলুল পাশা, হাবিব, মফিজুর রহমান, জাকির হোসেন, কামরুল ইসলাম, আতিকুর রহমান, আবুল হাসান, আবদুস সালাম, আবদুর রহিম, শাহ আলম, মইজুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, ইউসুফ হোসেন বাবু প্রমুখ।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত