শিরোনাম
Passenger Voice | ০২:৫৮ পিএম, ২০২৬-০৮-১৭
অতিবৃষ্টির কারণে রেললাইনে পানি ওঠায় প্রায় চার ঘণ্টা ধরে ষোলশহর রেলস্টেশনে আটকে রয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) দুটি শাটল ট্রেন। এতে করে সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল থেকে ভোগান্তিতে পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
ষোলশহর স্টেশনমাস্টার মো. মাঈন উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, চট্টগ্রাম বটতলা রেলস্টেশন থেকে সকাল ৭টা ১৫ মিনিট ও ৭টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে আসা দুটি শাটল ট্রেন ষোলশহর রেলস্টেশনে আটকে রয়েছে। এখনও রেললাইনের ওপর প্রায় ৮ ইঞ্চি পানি রয়েছে। পানি না কমা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
দীর্ঘ সময় ট্রেন আটকে থাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী স্টেশন ছেড়ে চলে গেছেন বলে জানান স্টেশন মাস্টার। তবে কিছু শিক্ষার্থী এখনও ট্রেনের ভেতরে রয়েছেন।
এদিকে শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ট্রেনের বিকল্প হিসেবে বাস চালুর ব্যবস্থা না থাকায় তাদের ভোগান্তি আরও বেড়েছে। একই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ক্লাস ও পরীক্ষা চলমান থাকায় বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।
নুসরাত জাহান নামের এক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, সকাল থেকে দুটি শাটলই ষোলশহরে দাঁড়িয়ে আছে। এত এত শিক্ষার্থী কীভাবে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিতে আসবে—সে চিন্তাটুকু কি আছে?
চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুল সালমান বলেন, শাটল বন্ধ থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাস-পরীক্ষাও বন্ধ রাখতে হবে। শিক্ষার্থীদের একমাত্র নির্ভরযোগ্য যাতায়াতের মাধ্যম শাটল ট্রেন। শাটল বন্ধ থাকলে বিকল্প লোকাল পরিবহনের মাধ্যমে সব শিক্ষার্থীর পক্ষে ক্যাম্পাসে আসা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, কিছু শিক্ষার্থী অনেক কষ্টে ক্যাম্পাসে আসতে পারলেও বাকিরা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আসতে পারে না। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার নামে বৃহত্তর একটি অংশকে বঞ্চিত করার অধিকার প্রশাসনের নেই।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত