শিরোনাম
Passenger Voice | ১০:৪৪ এএম, ২০২৬-০৮-০৬
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা’য় নির্মিত তথ্যচিত্রে অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির কারণে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে মন্ত্রণালয়।
৫ আগস্ট বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিনের উপস্থিতিতে তথ্যচিত্রটি প্রদর্শন করা হয়। সেটিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মূল ঘটনাপ্রবাহ বাদ পড়ায় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।
একইসঙ্গে তথ্যচিত্রের ‘ত্রুটি’ দ্রুত সংশোধন করে সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে পুনরায় জনসমক্ষে উন্মুক্ত করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দুঃখ প্রকাশ করা হয়।
এতে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় প্রদর্শিত তথ্যচিত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ ও অবদান যথাযথভাবে উপস্থাপিত না হওয়ায় যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, সে জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে বিষয়টি উত্থাপিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী উপস্থিত অতিথিদের উদ্দেশে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন এবং তথ্যচিত্রে কোনো ধরনের ত্রুটি বা অসম্পূর্ণতা থেকে থাকলে তা দ্রুত সংশোধনের আশ্বাস দেন উল্লেখ করে এতে বলা হয়, একইসঙ্গে প্রতিমন্ত্রীও এ অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পুনরায় জানানো হচ্ছে যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসের যথার্থতা ও পূর্ণাঙ্গতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার মতামতের ভিত্তিতে তথ্যচিত্রটি সংশোধন করে শিগগিরই পুনরায় জনসম্মুখে উন্মুক্ত করা হবে।
এতে বলা হয়, প্রদর্শিত তথ্যচিত্রে জুলাই আন্দোলনের ধারাবাহিকতার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, বিশেষ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভূমিকা, ৯ দফা কর্মসূচি, ৩ আগস্ট ঘোষিত এক দফা এবং সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক ঘটনাবলির যথাযথ প্রতিফলন না হওয়া ছিল সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। কোনো ব্যক্তি, সংগঠন বা গণঅভ্যুত্থানে অবদান রাখা কোনো পক্ষের ভূমিকা খাটো করা, উপেক্ষা করা বা ইতিহাসের কোনো অংশকে আড়াল করার কোনো উদ্দেশ্য মন্ত্রণালয়ের ছিল না এবং নেই।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে নির্ভুল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও তথ্যভিত্তিকভাবে সংরক্ষণে অঙ্গীকারাবদ্ধ। এ লক্ষে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং আন্দোলনের প্রতিনিধিদের মতামত গ্রহণ করে তথ্যচিত্রটি প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনের উদ্যোগ ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সংশোধিত তথ্যচিত্র দ্রুত পুনরায় জনসমক্ষে উন্মুক্ত করা হবে, যাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাস, ঘটনাপ্রবাহ, সংশ্লিষ্ট সবার গুরুত্বপূর্ণ অবদান, যথাযথ মর্যাদা ও ঐতিহাসিক সত্যতা নিষ্ঠার সঙ্গে উপস্থাপিত হয়।
এতে আরও বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ ঘটনায় সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য আবারও আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছে এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণে সবার গঠনমূলক মতামত, সহযোগিতা ও সহমর্মিতা কামনা করছে। সত্যনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইতিহাস সংরক্ষণই মন্ত্রণালয়ের অঙ্গীকার।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত