শিরোনাম
Passenger Voice | ১০:৪৮ এএম, ২০২৬-০৮-০৫
যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ বুধবার ৫ আগস্ট ‘জুলাই অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ পালন করবে সরকার। ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। দিবসটি উপলক্ষে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাণী দিয়েছেন।
আজ ভোর ৬টা ১ মিনিটে রাজধানীর শাহবাগের জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হবে। এ ছাড়া দেশের ৬৪ জেলায় সরকারিভাবে জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শহিদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, আলোচনা সভা, আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সরকারি এক তথ্যবিবরণীতে দিবসটি উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
তথ্যবিবরণীতে বলা হয়, সকাল ৯টায় জুলাই অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই দিন বেলা ১১টায় রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।
দিবসটিতে ভোর ৬টা ১ মিনিটে রাজধানীর শাহবাগের জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হবে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এতে অংশ নেবেন।
দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে সংবাদপত্রগুলোতে বিশেষ নিবন্ধ, সাহিত্য, সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।
এ ছাড়া ঢাকাসহ দেশের সব সিটি করপোরেশনে জুলাই অভ্যুত্থানের বস্তুনিষ্ঠ ও দুর্লভ আলোকচিত্র এবং প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে।
বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, এফএম ও কমিউনিটি রেডিওতে জুলাই অভ্যুত্থানের ইতিহাস, তাৎপর্য ও বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠান এবং বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করা হবে।
দিবসটির তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলোতেও দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাদ জোহর বা সুবিধাজনক সময়ে জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
আরও বলা হয়, দিবসটি উপলক্ষে রাজধানী ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপগুলো জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশানে সজ্জিত করা হবে। জুলাই স্মৃতিস্তম্ভগুলোতে করা হবে আলোকসজ্জা। এ ছাড়া দিবসটির স্মারক হিসেবে বিশেষ ডাকটিকিট প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার আওতাধীন জাদুঘরগুলো ৫ আগস্ট সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিনাটিকিটে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে। একইভাবে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিনোদনকেন্দ্রগুলো শিশুদের জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিনাটিকিটে প্রবেশ করার ব্যবস্থা রাখা হবে।
এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে দেশের সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে-কেয়ার ও শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হবে।
সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া এসব কর্মসূচির মাধ্যমে জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদদের স্মরণ, আহত ও আন্দোলনকারীদের সম্মান জানানো এবং নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই অভ্যুত্থানের ইতিহাস ও তাৎপর্য তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত