বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ

Passenger Voice    |    ০৪:১৩ পিএম, ২০২৬-০৭-২৬


বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ

বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে গেট কারপাস জটিলতায় ভারত–বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল থেকে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা গেট কারপাস না করার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।  

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি বলেন, এতদিন ধরে আমরা কোনো অবৈধ মালামালের দায়ভার না নিয়ে ভারতীয় আমদানিকৃত পণ্যবাহী ট্রাকের কারপাস (গেটপাস) দিয়ে গ্রহণ করে আসছি। তবে, গতকাল শনিবার কাস্টমস কর্তৃপক্ষ হঠাৎ নির্দেশনা জারি করেন, স্ব-স্ব সিএন্ডএফ এজেন্টের কর্মচারীদের দায়িত্ব নিয়ে ভারতীয় আমদানিকৃত পণ্যবাহী ট্রাক গ্রহণ করতে হবে। ওই ট্রাকে কোনো অবৈধ মালামাল থাকলে সিএন্ডএফ প্রতিনিধিকে দায়ভার নিতে হবে। এ সংক্রান্ত কোন দায়ভার কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নেবেনা।

তিনি বলেন, এ সংক্রান্ত কোনো দায়ভার না নেওয়ার শর্তে সিএন্ডএফ এর পক্ষ থেকে আমরা কোন গেট পাশ ইস্যু করছিনা। যার কারণে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। 

এ বিষয়ে বেনাপোল আমদানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে মালামাল রফতানি করেন। তারাই ভালো জানেন পণ্যের ভিতরে কী আছে। ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা পথিমধ্যে কোনো অবৈধ মালামাল তুললে তার দায়ভার কোন সিএন্ডএফ এজেন্ট বা স্টাফরা নিতে পারেনা। কাস্টমসের এ ধরনের সিদ্ধান্তের কারণে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে।

এদিকে, বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন জানান, কারপাস জটিলতার কারণে শনিবার থেকে বেনাপোল পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। তবে রফতানি ও চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে।

আমদানি বাণিজ্য বন্ধ থাকার কারণে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে আটকা পড়েছে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক। যার অধিকাংশই বাংলাদেশের শতভাগ রফতানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পের কাঁচামাল রয়েছে।