দৌলতদিয়ায় ফেরি থেকে ঝাঁপ দেওয়া নারী জীবিত উদ্ধার

Passenger Voice    |    ০২:৩৮ পিএম, ২০২৬-০৭-২৬


দৌলতদিয়ায় ফেরি থেকে ঝাঁপ দেওয়া নারী জীবিত উদ্ধার

গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীর মাঝপথে ফেরি থেকে ঝাঁপ দেওয়া এক নারীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

নিখোঁজের চার ঘণ্টা পর শনিবার (২৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পাশের ফরিদপুর জেলার কবিরপুর চরসংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ওই নারীর নাম মোছা. লাইজু (৩৯)। তিনি ঢাকা জেলার কামরাঙ্গীরচর এলাকার আশ্রাফাবাদের বাসিন্দা মো. ফোরকান মিয়ার স্ত্রী বলে জানা গেছে।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পাটুরিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা দৌলতদিয়াগামী ফেরি কুমিল্লা থেকে তিনি পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দেন। ঘটনার পরপরই দৌলতদিয়া নৌপুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও ফেরি কর্তৃপক্ষ উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

ফেরিতে থাকা হকার মিলন শেখ জানান, তিনি ফেরির নিচতলায় ঝালমুড়ি বিক্রি করার সময় ওই নারীকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখেন। একপর্যায়ে তিনি উচ্চস্বরে কথা বলতে বলতে হঠাৎ নদীতে ঝাঁপ দেন। তার ধারণা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন।

দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা জানান, নিখোঁজের খবর পাওয়ার পরপরই তারা নদীতে ব্যাপক খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাত পৌনে ১২টার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার কবিরপুর চর থেকে স্থানীয় ইউপি সদস্য সরোয়ার হোসেন ওই নারীকে উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ইউপি সদস্য সরোয়ার হোসেন মুঠোফোনে বলেন, পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার পর নদীতে ভাসমান কচুরিপানার সঙ্গে ভেসে ভেসে তিনি কবিরপুর চরে এসে আটকে পড়েন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে দেখে আমাকে খবর দিলে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় লোকমানের বাড়িতে নিরাপদে রাখি। পরে বিষয়টি দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ও ফরিদপুর কোতোয়ালি নৌপুলিশ ফাঁড়িকে জানানো হয়।

ফরিদপুর কোতোয়ালি নৌপুলিশ ফাঁড়ির এসআই তপন কুমার বলেন, নারীকে উদ্ধারের পর তার স্বজনদের খবর দেওয়া হয়। রোববার ভোর ৫টার দিকে কবিরপুর চর থেকে তাকে তাদের হেফাজতে এনে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি সুস্থ আছেন।