শিরোনাম
Passenger Voice | ০৪:১৪ পিএম, ২০২৬-০৭-২৪
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। তবে কুশিয়ারা নদীর দুটি স্টেশনে পানি এখনো বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বুলেটিন অনুযায়ী, বর্তমানে পর্যবেক্ষণাধীন নদীগুলোর মধ্যে শুধু কুশিয়ারা নদী সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জের মারকুলি স্টেশনে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল ছিল। আগামী দুই দিন পানি কমতে পারে এবং তৃতীয় দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। ফলে আগামী তিন দিনের মধ্যে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
অন্যদিকে, রাজশাহী অঞ্চলের আত্রাই ও ছোট যমুনা নদীর পানি কমছে, যা আগামী তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে। তবে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় ছোট যমুনা নদী নওগাঁ এবং আত্রাই নদী নওগাঁ ও নাটোরের কিছু স্থানে সতর্ক সীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে।
ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও পদ্মা নদীর পানি সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল ছিল। এ অবস্থা আগামী দুই দিন অব্যাহত থাকতে পারে, এরপর পানি কমতে পারে। তবে গঙ্গা নদীর পানি আগামী দুই দিন আরও বাড়তে পারে। এ সময় কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলার কিছু স্থানে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা সতর্ক সীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হতে পারে এবং নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক প্লাবন দেখা দিতে পারে।
এছাড়া চট্টগ্রাম অঞ্চলের গোমতী, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বেড়েছে। এসব নদীর পানি আগামী এক দিন আরও বাড়তে পারে এবং পরবর্তী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।
রংপুর অঞ্চলের ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি কমেছে এবং তিস্তার পানি স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী তিন দিন এসব নদীর পানি আরও হ্রাস পেতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত