শিরোনাম
Passenger Voice | ১১:১৩ এএম, ২০২৬-০৭-২৩
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুত বিচার আদালতে।
ফেসবুকে মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”
“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”
এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।
বিক্ষোভস্থলে বাড়ছে ভিড়, ফের বন্ধ করা হলো ১৬ মেট্রো স্টেশন
নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে আবারও ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছে দিল্লি মেট্রোরেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি)। আজ বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ করে এমন ঘোষণা দেয় সংস্থাটি। এতে করে হাজার হাজার অফিসগামী চাকরিজীবী এবং শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।
দিল্লির জন্তর মন্তরে গত দুই মাস ধরে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি। তাদের এ আন্দোলন গত কয়েকদিন ধরে বেগবান হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে গতকাল বুধবার ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। জন্তর মন্তরে ভিড় আরও বাড়তে থাকায় আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১৬টি স্টেশন বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে দিল্লি মেট্রো কর্পোরেশন বলেছে, “পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারাকহাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোর বাগ এবং শিবাজি স্টেডিয়াম মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকবে।”
গতকাল ঠিক এই স্টেশনগুলোই বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর প্রায় ৮ ঘণ্টা পর মেট্রো খুলে দিয়ে আবারও আজ সকালে স্টেশনগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম দ্য উইক জানিয়েছে, স্টেশন বন্ধের পর সাধারণ মানুষ অনেক বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন। চাকরিজীবীদের দেখা গেছে লম্বা লাইন ধরে বাসে উঠছেন। অনেকে ট্যাক্সিক্যাব ভাড়া করে গন্তব্যে যাচ্ছেন।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত