শিরোনাম
Passenger Voice | ০৫:১৩ পিএম, ২০২৬-০৭-১৬
রেলযাত্রা এবার আরও সহজ করতে এবং দেশের নানা প্রান্তে চলাফেরার সুবিধার্থে নতুন ওয়েবসাইট চালু করল ভারতের রেল মন্ত্রণালয়ের অধীন কোম্পানি ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুারিজম কোম্পানি (আইআরসিটিসি)। গতকাল বুধবার থেকেই নতুন ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারছেন সাধারণ ভারতীয়রা।
তবে আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে চলছে এই ওয়েবসাইট। ব্যবহারকারীদের মতামতের উপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত ওয়েবসাইট আত্মপ্রকাশ করবে কয়েক সপ্তাহ পর। তবে নতুন এই ওয়েবসাইটে যাত্রীদের সুবিধা অনেকটাই বাড়তে চলেছে।
বর্তমানে প্রতিদিন অন্তত সাড়ে ১৪ লক্ষ টিকিট বিক্রি হয় আইআরসিটিসির ওয়েবসাইটে। এবার সেখান থেকে অহেতুক ক্যাপচা, পপ আপের মতো বিরক্তি ধরানো বিষয়গুলি সরিয়ে নেওয়া হবে। সিটের বিবরণ জানার জন্য আলাদা করে ক্লাস অপশন সিলেক্ট করতে হবে না। কোন শ্রেণির কামরায় কতগুলো আসন ফাঁকা রয়েছে সেটার পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেওয়া থাকবে এই নতুন ওয়েবসাইটে।
এছাড়া টিকিট কাটার জন্য আগে চেক আউট প্রক্রিয়া যতটা দীর্ঘ ছিল, তা এখানে কমানো হয়েছে। সেই সঙ্গে যাত্রীদের নাম এবং অন্যান্য পরিচয় সেভ করা থাকবে, যেন বারবার একই ডিটেলস ফিল আপ করতে না হয় টিকিট বুকিংয়ের সময়ে।
জানা গিয়েছে, নতুন ওয়েবসাইটে এক মিনিটে দেড় লক্ষ পর্যন্ত টিকিট কাটা যেতে পারে। যাত্রীদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময়ও কমছে নতুন আইআরসিটিসি ওয়েবসাইটে। এছাড়াও নিজের পছন্দমতো বার্থও বেছে নেওয়া যাবে টিকিট কাটার সময়ে।
এতদিন পর্যন্ত শুধু সাইড লোয়ার-আপার এবং লোয়ার বার্থের বিকল্প ছিল। এবার সবরকম বার্থই বেছে নেওয়ার বিকল্প থাকবে। প্রত্যেক দিনের ভাড়া আলাদা করে দেখা যাবে ওয়েবসাইটেই। এছাড়াও একাধিক ভাষার বিকল্প থাকছে, যেন সকলের সুবিধা হয় টিকিট কাটতে।
আপাতত ওয়েবসাইটের বিটা সংস্করণ ব্যবহার করা যাচ্ছে। কোনও ওয়োবসাইট বাজারে আসার আগে এর পরীক্ষামূলক সংস্করণ বাজারে আনা হয়। পরে ভুলত্রুটি শুধরে নিয়ে আত্মপ্রকাশ করে আসল ওয়েবসাইট। https://www.irctc.co.in/eticket/ এই লিঙ্কে ক্লিক করলেই দেখা যাবে রেলের নতুন ওয়েবসাইট। উল্লেখ্য, ২০০২ থেকে চলছে এই ওয়েবসাইট। প্রথমবার ঢেলে সাজানো হল এটিকে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত