শিরোনাম
Passenger Voice | ১১:৫৭ এএম, ২০২৬-০৭-০৭
চট্টগ্রাম কাস্টমসের এআইআর শাখা কর্তৃক লক করা বিল অব এন্ট্রি (বি/ই) ২৫০ কনটেইনারের বর্তমান অবস্থানসংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য সরবরাহ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)। বন্দরের টার্মিনাল ম্যানেজারের দপ্তর থেকে গতকাল কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে পাঠানো এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের গত বছরের ২ ডিসেম্বরের এক পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে এ তথ্য পাঠায় চবক। এতে জানানো হয়, ২০২১ সালে ৮৩টি, ২০২২ সালে ৬১টি, ২০২৩ সালে ৪০ ও ২০২৪ সালে ৬৬টি বিল অব এন্ট্রি (বি/ই) মিলিয়ে ২৫০টি পণ্য চালান এখনো লক অবস্থায় রয়েছে।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে বন্দর থেকে পাঠানো পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, কাস্টমস কর্তৃক সরবরাহকৃত লক করা পণ্য চালানের তালিকায় ২৫০টি পণ্য চালানের কথা বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে পণ্য চালানের সংখ্যা ২৪৭। এর মধ্যে ১৬৪টিতে এফসিএল (ফুল কনটেইনার লোড) কনটেইনারের সংখ্যা ২৯৩ বক্স এবং অবশিষ্ট ৮৩টিতে রয়েছে এলসিএল (লেস দ্যান কনটেইনার লোড) কার্গো।
এফসিএল কনটেইনারগুলোর মধ্যে কাস্টমস আউট পাসের মাধ্যমে বন্দর থেকে এরই মধ্যে ডেলিভারি হয়েছে ৮৮টি কনটেইনার। বিভিন্ন বেসরকারি ডিপোতে স্থানান্তর হয়েছে ৭০টি কনটেইনার এবং বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ডে বর্তমানে স্থিত রয়েছে ১৩১টি কনটেইনার। এছাড়া প্রদত্ত তালিকায় ভুল কনটেইনার নম্বর পাওয়া গেছে চারটি।
অবশিষ্ট ৮৩টি এলসিএল পণ্য চালানের মধ্যে কাস্টম আউটপাসের মাধ্যমে এরই মধ্যে ডেলিভারি হয়েছে আটটি পণ্য চালান। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন সিএফএস/শেডে স্থিত রয়েছে ৩৫টি পণ্য চালান।
পত্রে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, কাস্টমস কর্তৃক প্রদেয় তালিকায় ভুল বি/এল (বিল অব লেডিং) নম্বরের সংখ্যা ৪০। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘কাস্টমস কর্তৃক সরবরাহকৃত লক করা পণ্য চালানের বিষয়টি অফিশিয়ালি কাস্টমসকে বুঝিয়ে দিয়েছি আমরা।’ এ নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত