শিরোনাম
Passenger Voice | ০১:০৯ পিএম, ২০২৬-০৭-০২
মায়ানমারের মংডু শহরে আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালাচ্ছে জান্তা সরকার। সীমান্তের ওপারে এসব বিস্ফোরণের তীব্রতায় কেঁপে উঠছে টেকনাফ সীমান্তের বাড়িঘর, আতঙ্কে সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা।
বুধবার (১ জুলাই) রাত ৯টা ১৪ মিনিট থেকে শুরু হওয়া এ হামলা থেমে থেমে চলতে থাকে।
স্থানীয়দের দাবি, টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং, হ্নীলা, টেকনাফ পৌরসভা ও সাবরাং ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা মায়ানমারের অভ্যন্তরে আকাশপথে বিমান হামলার বিকট শব্দ শুনতে পেয়েছেন। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং তারা উৎকণ্ঠার মধ্যে রাত কাটাচ্ছেন।
সীমান্ত এলাকার বাসিন্দার জালিয়াপাড়া সামী জাবেদ বলেন, রাত ৯টার পর থেকে মংডু শহরে বিমান হামলা শুরু হয়। একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে তাদের বাড়িঘর কেঁপে ওঠে। দীর্ঘদিন পর হঠাৎ এত বড় ধরনের হামলায় পরিবারের সবাই ভয়ে রয়েছেন।
টেকনাফে পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দার কুলালপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. সোহেল বলেন, তার বাড়ি মায়ানমার সীমান্ত থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে। হঠাৎ সীমান্তের ওপার থেকে কয়েক দফা বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
তিনি বলেন, আগে হামলার শব্দ শুনলেও এবার বিস্ফোরণের তীব্রতা ছিল অনেক বেশি।
মংডু শহরের এক রোহিঙ্গা বাসিন্দা জানান, শহরের হাইনদাপাড়া এলাকার একটি ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হচ্ছে। হঠাৎ কেন এ হামলা শুরু হয়েছে, তা তিনি জানেন না।
হ্নীলা ইউনিয়নের হোয়াকিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা আয়েশা ছিদ্দিকী রুমি বলেন, মায়ানমারের ওপারে হঠাৎ বিকট শব্দে বাড়িঘর কেঁপে ওঠে। সেই শব্দে ভয়ে আমার সন্তান ঘুম থেকে জেগে যায়।
এ বিষয়ে টেকনাফে ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, মায়ানমারের অভ্যন্তরে বিমানহামলা চালানোর তথ্য তারা পেয়েছেন। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি জানান, সীমান্ত ও নাফ নদীতে বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। সীমান্তে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি সবসময় প্রস্তুত।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত