রুগ্‌ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আমানত বেড়েছে ৪০০ কোটি টাকা

Passenger Voice    |    ০২:৩৮ পিএম, ২০২৬-০৬-২৯


রুগ্‌ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আমানত বেড়েছে ৪০০ কোটি টাকা

অনিয়ম, দুর্নীতি আর অব্যবস্থাপনার কারণে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দুর্বল হয়ে পড়েছিল দেশের নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। গ্রাহকদের আস্থা কমে যাওয়ার কারণে ধারাবাহিক কমছিল এ খাতের আমানত ও আমানতকারীর সংখ্যা।

এক পর্যায়ে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে না পারায় পাঁচটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর চারটি প্রতিষ্ঠানকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য আরো কিছুদিন সময় দেওয়া হয়। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ব্যাংক খাতের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও সংস্কার শুরু হলে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে গ্রাহকদের আস্থা। সর্বশেষ চলতি বছরের মার্চ শেষে এ খাতে আমানত বেড়েছে ০.৮৪ শতাংশ এবং আমানতকারীর সংখ্যা বেড়েছে ৮.৯৯ শতাংশ।

এ বিষয়ে লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমাইরা আজম বলেন, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভালো আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমানতকারী বেড়েছে। একই সঙ্গে আমানতও বাড়ছে। যেসব প্রতিষ্ঠান খারাপ করছে তারা ছাড়া বাকি প্রতিষ্ঠান তাদের পেশাদারি ধরে রেখেছে। যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে যেকোনো সময় টাকা ফেরত পাওয়া যায়, বাছাই করে এখন মানুষ সেসব প্রতিষ্ঠানেই টাকা রাখছে। অনেক ছোট ছোট আমানতকারী এখন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ফিরে আসছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ শেষে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ৫৫৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা। আর গত বছরের ডিসেম্বর শেষে এ খাতে আমানত ছিল ৫১ হাজার ১২৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। সেই হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে আমানত বেড়েছে ৪৩১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বা ০.৮৪ শতাংশ।

প্রতিবেদন বলছে, ২০২৫ সালের মার্চ শেষে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমানতের পরিমাণ ছিল ৪৯ হাজার ৪৮৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

তিন মাস পর অর্থাৎ গত বছরের জুন শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত বেড়ে দাঁড়ায় ৪৯ হাজার ৭৭৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা। মার্চ মাসের তুলনায় জুন শেষে আমানত বেড়েছিল ২৮৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা বা ০.৫৮ শতাংশ।
তথ্য মতে, গত বছরের জুনের তুলনায় সেপ্টেম্বর শেষেও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত বেড়েছিল ১.৯১ শতাংশ। সেপ্টেম্বর শেষে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত বেড়ে দাঁড়ায় ৫০ হাজার ৭২২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

আর গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় ডিসেম্বর শেষে আমানত বেড়েছিল ০.৮০ শতাংশ। ডিসেম্বর শেষে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত বেড়ে দাঁড়ায় ৫১ হাজার ১২৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধারাবাহিক বাড়ছে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যাও।

তথ্য মতে, চলতি বছরের মার্চ শেষে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয় লাখ ২২ হাজার ৭২৬টি। আর গত বছরের ডিসেম্বর শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা ছিল পাঁচ লাখ ৭১ হাজার ৩৮২টি। সেই হিসাবে তিন মাসে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা বেড়েছে ৫১ হাজার ৩৪৪টি বা ৮.৯৯ শতাংশ।

তথ্য মতে, ২০২৫ সালের মার্চ শেষে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা ছিল চার লাখ ৪০ হাজার ৯০৭। আর তিন মাস পর অর্থাৎ একই বছরের জুন শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় চার লাখ ৮০ হাজার ১৬৩টি বা ৮.৯০ শতাংশ।

এ ছাড়া গত বছরের জুন মাসের তুলনায় সেপ্টেম্বর শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা বেড়েছিল ১২.৬৩ শতাংশ। তথ্য মতে, গত বছরের সেপ্টেম্বর শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় পাঁচ লাখ ৪০ হাজার ৮২৫। আর সেপ্টেম্বরের তুলনায় গত বছরের ডিসেম্বর শেষে আমানতকারীর সংখ্যা বেড়েছিল ৫.৫৬ শতাংশ। ডিসেম্বর শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় পাঁচ লাখ ৭১ হাজার ৩৮২টি।

নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত এবং আমানতকারীর সংখ্যা বাড়লেও চলতি বছরের মার্চ শেষে কমেছে ঋণ বিতরণ। তথ্য মতে, চলতি বছরের মার্চ শেষে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিতরণকৃত ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৭৮ হাজার ৪২৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। আর গত বছরের ডিসেম্বর শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিতরণকৃত ঋণের স্থিতি ছিল ৭৮ হাজার ৮২৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা। সেই হিসাবে তিন মাসে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ বিতরণ কমেছে ৪০৪ কোটি তিন লাখ টাকা বা ০.৫১ শতাংশ।  

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, এনবিএফআই খাতের বর্তমান স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি একদিকে ইতিবাচক সংকেত দিচ্ছে, অন্যদিকে ঝুঁকিগুলো স্পষ্ট করছে। আমানতে সামান্য প্রবৃদ্ধি হলেও এটি মূলত স্বল্পমেয়াদি আস্থা পুনরুদ্ধারের ফল। দীর্ঘ মেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য এই খাতকে আরো স্বচ্ছতা, শক্তিশালী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও কার্যকর তদারকির আওতায় আনতে হবে।

আরিফ হোসেন খান বলেন, ঋণ বিতরণ কমে যাওয়াকে নেতিবাচকভাবে না দেখে কাঠামোগত সংশোধনের সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত। কারণ অনেক এনবিএফআই দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ খাতে অতিরিক্ত ঋণ দিয়েছে। ফলে খেলাপির চাপ বেড়েছে। এখন ঋণপ্রবাহ কিছুটা কমে আসায় প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যালান্স শিট পুনর্গঠনের সুযোগ পাচ্ছে। এটি আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

রুগ্‌ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আমানত বেড়েছে ৪০০ কোটি টাকা

অনিয়ম, দুর্নীতি আর অব্যবস্থাপনার কারণে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দুর্বল হয়ে পড়েছিল দেশের নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। গ্রাহকদের আস্থা কমে যাওয়ার কারণে ধারাবাহিক কমছিল এ খাতের আমানত ও আমানতকারীর সংখ্যা।

এক পর্যায়ে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে না পারায় পাঁচটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর চারটি প্রতিষ্ঠানকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য আরো কিছুদিন সময় দেওয়া হয়। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ব্যাংক খাতের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও সংস্কার শুরু হলে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে গ্রাহকদের আস্থা। সর্বশেষ চলতি বছরের মার্চ শেষে এ খাতে আমানত বেড়েছে ০.৮৪ শতাংশ এবং আমানতকারীর সংখ্যা বেড়েছে ৮.৯৯ শতাংশ।

এ বিষয়ে লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমাইরা আজম বলেন, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভালো আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমানতকারী বেড়েছে। একই সঙ্গে আমানতও বাড়ছে। যেসব প্রতিষ্ঠান খারাপ করছে তারা ছাড়া বাকি প্রতিষ্ঠান তাদের পেশাদারি ধরে রেখেছে। যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে যেকোনো সময় টাকা ফেরত পাওয়া যায়, বাছাই করে এখন মানুষ সেসব প্রতিষ্ঠানেই টাকা রাখছে। অনেক ছোট ছোট আমানতকারী এখন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ফিরে আসছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ শেষে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ৫৫৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা। আর গত বছরের ডিসেম্বর শেষে এ খাতে আমানত ছিল ৫১ হাজার ১২৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। সেই হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে আমানত বেড়েছে ৪৩১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বা ০.৮৪ শতাংশ।

প্রতিবেদন বলছে, ২০২৫ সালের মার্চ শেষে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমানতের পরিমাণ ছিল ৪৯ হাজার ৪৮৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

তিন মাস পর অর্থাৎ গত বছরের জুন শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত বেড়ে দাঁড়ায় ৪৯ হাজার ৭৭৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা। মার্চ মাসের তুলনায় জুন শেষে আমানত বেড়েছিল ২৮৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা বা ০.৫৮ শতাংশ।
তথ্য মতে, গত বছরের জুনের তুলনায় সেপ্টেম্বর শেষেও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত বেড়েছিল ১.৯১ শতাংশ। সেপ্টেম্বর শেষে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত বেড়ে দাঁড়ায় ৫০ হাজার ৭২২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

আর গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় ডিসেম্বর শেষে আমানত বেড়েছিল ০.৮০ শতাংশ। ডিসেম্বর শেষে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত বেড়ে দাঁড়ায় ৫১ হাজার ১২৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধারাবাহিক বাড়ছে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যাও।

তথ্য মতে, চলতি বছরের মার্চ শেষে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয় লাখ ২২ হাজার ৭২৬টি। আর গত বছরের ডিসেম্বর শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা ছিল পাঁচ লাখ ৭১ হাজার ৩৮২টি। সেই হিসাবে তিন মাসে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা বেড়েছে ৫১ হাজার ৩৪৪টি বা ৮.৯৯ শতাংশ।

তথ্য মতে, ২০২৫ সালের মার্চ শেষে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা ছিল চার লাখ ৪০ হাজার ৯০৭। আর তিন মাস পর অর্থাৎ একই বছরের জুন শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় চার লাখ ৮০ হাজার ১৬৩টি বা ৮.৯০ শতাংশ।

এ ছাড়া গত বছরের জুন মাসের তুলনায় সেপ্টেম্বর শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা বেড়েছিল ১২.৬৩ শতাংশ। তথ্য মতে, গত বছরের সেপ্টেম্বর শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় পাঁচ লাখ ৪০ হাজার ৮২৫। আর সেপ্টেম্বরের তুলনায় গত বছরের ডিসেম্বর শেষে আমানতকারীর সংখ্যা বেড়েছিল ৫.৫৬ শতাংশ। ডিসেম্বর শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় পাঁচ লাখ ৭১ হাজার ৩৮২টি।

নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত এবং আমানতকারীর সংখ্যা বাড়লেও চলতি বছরের মার্চ শেষে কমেছে ঋণ বিতরণ। তথ্য মতে, চলতি বছরের মার্চ শেষে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিতরণকৃত ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৭৮ হাজার ৪২৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। আর গত বছরের ডিসেম্বর শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিতরণকৃত ঋণের স্থিতি ছিল ৭৮ হাজার ৮২৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা। সেই হিসাবে তিন মাসে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ বিতরণ কমেছে ৪০৪ কোটি তিন লাখ টাকা বা ০.৫১ শতাংশ।  

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, এনবিএফআই খাতের বর্তমান স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি একদিকে ইতিবাচক সংকেত দিচ্ছে, অন্যদিকে ঝুঁকিগুলো স্পষ্ট করছে। আমানতে সামান্য প্রবৃদ্ধি হলেও এটি মূলত স্বল্পমেয়াদি আস্থা পুনরুদ্ধারের ফল। দীর্ঘ মেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য এই খাতকে আরো স্বচ্ছতা, শক্তিশালী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও কার্যকর তদারকির আওতায় আনতে হবে।

আরিফ হোসেন খান বলেন, ঋণ বিতরণ কমে যাওয়াকে নেতিবাচকভাবে না দেখে কাঠামোগত সংশোধনের সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত। কারণ অনেক এনবিএফআই দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ খাতে অতিরিক্ত ঋণ দিয়েছে। ফলে খেলাপির চাপ বেড়েছে। এখন ঋণপ্রবাহ কিছুটা কমে আসায় প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যালান্স শিট পুনর্গঠনের সুযোগ পাচ্ছে। এটি আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।