মোটরযানের ১৪,২০১ কোটি টাকা বকেয়া আদায়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে চিঠি

Passenger Voice    |    ১২:০৮ পিএম, ২০২৬-০৬-২৩


মোটরযানের ১৪,২০১ কোটি টাকা বকেয়া আদায়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে চিঠি

গত ১৭ জুন অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবকে লেখা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মোটরযানের বকেয়া কর ও ফি আদায়ে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা জমা দিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। একই সঙ্গে জরিমানা ছাড়া মূল কর ও ফি পরিশোধের মাধ্যমে মোটরযানের কাগজপত্র হালনাগাদের চলমান সুবিধার মেয়াদ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

গত ১৭ জুন অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবকে লেখা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, দেশে মোটরযানের বকেয়া বাবদ ১৪ হাজার ২০১ কোটি টাকার হিসাব যাচাই এবং কার্যকর আদায় নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় তথ্য, দলিলাদি ও কর্মপরিকল্পনা অর্থ বিভাগে পাঠাতে হবে।

এ লক্ষ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট তথ্য ও বিশ্লেষণ দিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০০০-০১ অর্থবছর থেকে চলতি অর্থবছর পর্যন্ত ফিটনেস, রুট পারমিট, ট্যাক্স টোকেন, ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ বিভিন্ন খাতে বকেয়ার বিস্তারিত বিবরণ; বাণিজ্যিক ও অবাণিজ্যিক যানবাহনের শ্রেণিভিত্তিক বকেয়া; সচল, অচল ও বাতিল যানবাহনের পৃথক পরিসংখ্যান এবং দ্বৈত নিবন্ধিত যানবাহনের তথ্য।

অর্থ বিভাগ আরও জানতে চেয়েছে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের ডাটাবেজে দেখানো বকেয়া অর্থের বিপরীতে আদায়ের বাস্তবসম্মত সম্ভাবনা কতটুকু এবং কী প্রক্রিয়ায় ও কত সময়ের মধ্যে তা আদায় করা সম্ভব। এ বিষয়ে একটি বাস্তবায়নযোগ্য কর্মপরিকল্পনা ও যৌক্তিক কাঠামো উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ দফা বিশেষ সুবিধা বা মওকুফ কর্মসূচির বিপরীতে প্রকৃত রাজস্ব আদায়ের তথ্যও জমা দিতে হবে। পাশাপাশি সরকারি পাওনা আদায়সংক্রান্ত আইন দ্য পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি অ্যাক্ট, ১৯১৩ অনুযায়ী নেওয়া পদক্ষেপ, দায়ের করা মামলা এবং নিষ্পত্তির তথ্যও চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী যানবাহনের ফিটনেস নবায়ন না হওয়ায় সড়ক নিরাপত্তার ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়ছে, সে বিষয়ে একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদনও জমা দিতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, দীর্ঘমেয়াদে জরিমানা মওকুফের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বকেয়া রাজস্ব আদায়ের জন্য স্থায়ী সমাধান ও টেকসই কৌশল প্রণয়নের প্রস্তাবও দিতে হবে।