শিরোনাম
Passenger Voice | ০৪:১৬ পিএম, ২০২৬-০৬-২১
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর বৃষ্টিপাতে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি দ্রুত বেড়ে চলেছে । পানির তীব্র স্রোতে সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা গ্রামে নদীর ডান তীর রক্ষা বাঁধের ৩০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ঝুঁকিতে রয়েছে বাঁধের অবশিষ্ট অংশ। ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ভর্তি বালুর বস্তা ফেলা শুরু করেছে।
শনিবার (২০ জুন) দুপুরে হঠাৎ করে নদীর তীর রক্ষা বাঁধের ৩০ মিটারএলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এর ফলে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। হুমকির মুখে রয়েছে আরো অনেক ফসলিজমি ও বসতভিটা। এছাড়াগত কয়েকদিন ধরে জেলার চৌহালী উপজেলায় নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। অনেককে ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে খোলা আকাশে নিচে বসবাস করছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ৮ জুন থেকে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। তবে নদীর পানি কখনও কমছে আবার কখনও বাড়ছে। এখন বর্ষা মৌসুম। পানি বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় মাত্র ৪ সেন্টিমিটার কমে বিপদ সীমার ২৪৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বাহুকা গ্রামের স্থানীয় যুবক মোশারফ হোসেন বলেন, ’হঠাৎ করেই নদীর তীর রক্ষা বাঁধের ৩০ মিটার নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে আমরা যারা নদীর কিনারে বসবাস করি তাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক কাজ করছে। একই এলাকার আরেক বাসিন্দা আছমত আলী বলেন, নদীর ডান তীরের ব্লক ধসে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে খবর দিলে তারা এসে বালুর বস্তা ফেলে মেরামতের কাজ শুরু করেছে।’
এর আগে আমাদের অনেক জমিজমা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি।আবারো ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।ফলে চরম ভয় কাজ করছে। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে।ফলে পানির তীব্র স্রোতে বিভিন্ন জায়গায় নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙন এলাকাগুলোতে পরিদর্শন করা হয়েছে। ভাঙন রোধে বালুর বস্তা ফেলে মেরামতের কাজ শুরু করা হয়েছে। এতে ভয় বা আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।’
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত