বিআরটিএর কর আদায়ে চুক্তির ব্যয় বাড়ল ২১ কোটি ৪২ লাখ টাকা

Passenger Voice    |    ০৪:১১ পিএম, ২০২৬-০৬-১৭


বিআরটিএর কর আদায়ে চুক্তির ব্যয় বাড়ল ২১ কোটি ৪২ লাখ টাকা

যানবাহনের কর ও ফি আদায় বৃদ্ধির কারণে সার্ভিস প্রোভাইডারের ব্যয় বাড়ছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থায় কর ও ফি আদায়ের চলমান চুক্তির আওতায় অতিরিক্ত ২১ কোটি ৪২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৫০ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (১৭ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ ব্যয় বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৬ জুন সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের ভিত্তিতে বিআরটিএ-এর যাবতীয় যানবাহন কর ও ফি অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আদায়ের জন্য কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম (সিএনএস)-কে সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

চুক্তি অনুযায়ী প্রতি ট্রানজেকশনে ৪৫.৩৫ টাকা হারে ৫ বছরে আনুমানিক ৪ কোটি ৫০ লাখ লেনদেনের জন্য মোট ২০৪ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য ব্যয় বাবদ ৪ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ মোট চুক্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয় ২১৮ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ১৬ জুলাই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে যানবাহন কর ও ফি আদায়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রক্ষেপণ অনুযায়ী অতিরিক্ত ৪৫ লাখ ট্রানজেকশন যুক্ত হওয়ায় সংশোধিত চুক্তিমূল্য দাঁড়াচ্ছে ২৪০ কোটি ১৪ লাখ ২৮ হাজার ৭৫০ টাকা।

ফলে মূল চুক্তির তুলনায় অতিরিক্ত ২১ কোটি ৪২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৫০ টাকা ব্যয় বাড়ছে, যা মোট চুক্তিমূল্যের প্রায় ৯.৮ শতাংশ।

ভ্যারিয়েশন প্রস্তাবের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন ও মালিকানা পরিবর্তনসহ বিভিন্ন সেবা সহজীকরণ করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের কর ও ফি’র ওপর বিলম্বজনিত জরিমানা ছয় দফা মওকুফ করায় লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।