ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না

Passenger Voice    |    ০৩:৪৩ পিএম, ২০২৬-০৬-১৭


ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না

এলসির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) ব্যাংকের মানবসম্পদ নীতির আলোকে এক সার্কুলারের মাধ্যমে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। 

সার্কুলারে বলা হয়, পূর্বে জারি করা একটি নির্দেশনা অনুসারে, ব্যাংকের মানবসম্পদ নীতির ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে বর্ণিত 'সাধারণ আচরণ ও শৃঙ্খলা নীতির অধীনে রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ সংক্রান্ত বিদ্যমান নিয়মাবলীর প্রতি পুনরায় দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।

নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী সরাসরি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন না। একই সঙ্গে তারা দেশে বা বিদেশে কোনো সংসদীয় বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। তবে, তারা তাদের ব্যক্তিগত ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।

এ ছাড়াও, কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রচার করা যাবে না এবং এমন কোনো রাজনৈতিক বিতর্ক বা দলীয় কার্যকলাপে জড়িত হওয়া উচিত নয়, যা দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা ও পেশাগত নিষ্ঠাকে ব্যাহত করতে পারে। সংকীর্ণ মানসিকতা, স্বজনপ্রীতি, রাজনীতিকরণ বা সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

ব্যাংকের ভাবমূর্তি রক্ষা এবং প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে সার্কুলারটিতে আরও বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাজনীতি থেকে বিরত থাকা। 

ব্যাংকের কর্মচারীরা জনসমক্ষে রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ করতে পারবেন না। তাদের অবশ্যই জনসমক্ষে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকেও দূরে থাকতে হবে। জরুরি দাপ্তরিক প্রয়োজন ছাড়া কর্মচারীরা কর্মঘণ্টার মধ্যে অফিস ত্যাগ করতে পারবেন না। কর্মচারীদের একটি মুভমেন্ট রেজিস্টারে অফিস থেকে বের হওয়া ও ফেরার সময় লিখে রাখতে হবে। তাদের অবশ্যই তাতে স্বাক্ষর করতে হবে এবং বের হওয়ার সঠিক কারণ উল্লেখ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয় যে, এই নির্দেশনাগুলো অমান্য করা শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে গণ্য হবে এবং মানবসম্পদ নীতিমালার বিধান অনুযায়ী জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্যাংকের সব শাখা ব্যবস্থাপক ও বিভাগীয় প্রধানদেরকে সার্কুলারটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবিলম্বে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

এ ছাড়াও, এই নির্দেশনাগুলো লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত যেকোনো ব্যক্তির নাম দ্রুত মানবসম্পদ বিভাগে জানাতে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।