শিরোনাম
Passenger Voice | ০৭:৩৪ পিএম, ২০২৬-০৬-১৬
নিজস্ব প্রতিবেদক: এআই-ভিত্তিক ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য সংক্রান্ত মামলার জরিমানা আদায়ের নামে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর ওয়েবসাইটের আদলে ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। চক্রটি ট্রাফিক জরিমানা, মামলা ও আইনগত ব্যবস্থার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির মোবাইল নম্বরে এসএমএস প্রেরণ করত, যেখানে একটি ভুয়া ওয়েবসাইটের লিংক সংযুক্ত থাকত। সরকারি ওয়েবসাইটের অনুরূপ হওয়ায় ভুক্তভোগীরা সেটিকে প্রকৃত BRTA-এর ওয়েবসাইট মনে করে প্রবেশ করতেন এবং জরিমানা পরিশোধ বা সংশ্লিষ্ট সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে তাদের ব্যাংক কার্ড নম্বরসহ বিভিন্ন আর্থিক তথ্য প্রদান করতেন। পরবর্তীতে প্রতারকরা কৌশলে OTP সংগ্রহ করে ওই তথ্য ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের ব্যাংক হিসাব ও কার্ড থেকে অননুমোদিত লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর করে আত্মসাৎ করত।
এভাবে একই কৌশল অবলম্বন করে চক্রটি একাধিক ভুক্তভোগীর কাছ থেকে সর্বমোট ৭,২৫,৬০০/- (সাত লক্ষ পঁচিশ হাজার ছয়শত) টাকা আত্মসাৎ করেছে। ঘটনাটি একটি সুপরিকল্পিত ফিশিং (Phishing) ও সাইবার প্রতারণার, যেখানে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ব্যবহার করে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে তাদের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সাইবার পুলিশ সেন্টার, সিআইডি’র একটি চৌকস আভিযানিক দল প্রযুক্তিগত তদন্ত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মামলার অন্যতম আসামী খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা এলাকার জনৈক সাইফুদ্দিন শেখ এর পুত্র মো: রাব্বি শেখ কে আটক করে। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীর দেওয়া তথ্য ও প্রাপ্ত সূত্রের ভিত্তিতে ফেনী জেলার সদর থানাধীন এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে প্রতারক চক্রের অপর সদস্য মো: রিয়াদ হোসেনকে গ্রেফতার করে। অপর একটি আভিযানিক দল ডিএমপির দক্ষিণখান থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই মামলার অপর আসামী মো. সাজ্জাদ হোসেন কে আটক করে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত