শিরোনাম
Passenger Voice | ১২:১২ পিএম, ২০২৬-০৬-১৩
ভারী বৃষ্টিপাত ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের তিনটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) সকাল ৯টায় শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া সোমেশ্বরী ও মহারশি নদীর পানিও বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে।
অন্যদিকে, ভোগাই নদীর পানি নাকুগাঁও পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৩৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৩২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে পাহাড়ি ঢলের পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঝিনাইগাতী সদর বাজারে পানি ঢুকেছে এবং ক্রমান্বয়ে পানি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
গত কয়েকদিন ধরে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ি ঢল বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই দিন আগে নালিতাবাড়ী উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে বর্ডার রোডসহ একাধিক সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়।
গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে নাকুগাঁও পয়েন্টে ১৮০ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৩৫ মিলিমিটার এবং শেরপুর পয়েন্টে ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
এছাড়া মহারশি নদীর বিভিন্নস্থানে পানি বাঁধ ছুঁইছুঁই অবস্থায় রয়েছে এবং কোথাও কোথাও বাঁধের পাশে মাটি সরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে, যা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, বৃষ্টিপাত কমে গেলে ঢলের পানি নেমে যাবে। এখন পর্যন্ত বাঁধ ভাঙার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বিভিন্ন স্থানে নদীর পানি বিপদসীমা ছুঁইছুঁই অবস্থায় রয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং কোনো সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত