বিমানবন্দরে আগুন: তদন্তে কমিটি,সকালেই প্রাথমিক প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ

Passenger Voice    |    ১১:৩৪ এএম, ২০২৬-০৬-০৬


বিমানবন্দরে আগুন: তদন্তে কমিটি,সকালেই প্রাথমিক প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো শেডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার দিবাগত রাতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কার্গো শেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

তিনি বলেন, তদন্তের পরই আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ বিষয়ে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও কমিটির প্রতিবেদনের মাধ্যমে নিরূপণ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে ধারণা করা হচ্ছে, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।’ তবে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘বারবার শর্টসার্কিটের ঘটনা কেন ঘটছে। এর আগেও যে অগ্নিকাণ্ড হয়েছিল, সেই তদন্ত প্রতিবেদনেও শর্টসার্কিটের কথা বলা হয়েছিল। তাহলে নিশ্চয়ই কোথাও গাফিলতি রয়েছে। আমাদের সেটি স্বীকার করতে হবে।’

রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে কমিটিকে প্রাথমিক প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। যদি কারও গাফিলতির কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর বিমানবন্দরের কার্গো শেডে অগ্নিকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ওই ঘটনার পরও নতুন শেড নির্মাণ করা হয়নি। কারণ, থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পের আওতায় নতুন কার্গো সুবিধা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, জাপানের সঙ্গে চুক্তির আওতায় থার্ড টার্মিনালের পেছনে আমদানি ও রপ্তানির জন্য দুটি আধুনিক কার্গো গোডাউন নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব গোডাউনে প্রায় আট লাখ টন করে পণ্য সংরক্ষণের সক্ষমতা থাকবে।

তিনি বলেন, নতুন স্থায়ী শেড নির্মাণ করলে তা ভবিষ্যতে প্রয়োজন না-ও হতে পারে। সে কারণে আপাতত স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ থেকে বিরত থাকা হয়েছে। তবে অস্থায়ী শেড নির্মাণের কথা বলা হয়েছিল।

সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের ভূমিকা সম্পর্কেও তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করা হবে। প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। কেন বারবার এমন ঘটনা ঘটছে, তা খুঁজে বের করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।