বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

Passenger Voice    |    ০৩:৪১ পিএম, ২০২৬-০৬-০৪


বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসির গ্রুপ সিইও মাসুদ খান। 

আজ (৪ জুন) দুপুরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে তাকে নিয়োগ দেওয়ার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩-এর ধারা ৫(২) অনুযায়ী আগামী চার বছরের জন্য মাসুদ খানকে বিএসইসির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির কমিশনার হিসেবে আরও তিনজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কমিশনার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন: আইনজীবী নাহিদ মাহতাব, আশা ইন্টারন্যাশনালের ফাইন্যান্স ডিরেক্টর তানভীর হাবিব রহমান ও ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাফিজ-আল-তারিক। তারা প্রত্যেকেই চার বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছেন।

এর আগে আজ সকালে বিএসইসির সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও সংস্থাটির চার কমিশনার পদত্যাগ করেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন তারা।

চেয়ারম্যানের পাশাপাশি পদত্যাগ করা চারজন কমিশনার হলেন—মো. মহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মো. সাইফউদ্দিন।

মো. সাইফউদ্দিন বলেন, 'আমরা সবাই ব্যক্তিগত কারণেই পদত্যাগ করেছি।'

পদত্যাগের পর দেওয়া এক বার্তায় বিদায়ী চেয়ারম্যান রাশেদ মাকসুদ বলেন, 'বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে গত ২১ মাস দায়িত্ব পালনের পর এখন ব্যক্তিগত কাজে মনোযোগ দিতে আমি এই সরকারি পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।'

তিনি বলেন, 'আমরা এক চরম অস্থির সময়ে এই নেতৃত্বের দায়িত্ব নিয়েছিলাম এবং দায়িত্ব নিয়েই আইনি কাঠামো ও বাজারের শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যাপক সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছিলাম। এই অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা পাঁচটি বিধিমালার (মার্জিন, আইপিও, মিউচুয়াল ফান্ড, ডেট সিকিউরিটিজ এবং হুইসেলব্লোয়ার) প্রজ্ঞাপন জারি করেছি। এ ছাড়া সম্প্রতি করপোরেট সুশাসন, অডিট এবং করপোরেট পুনর্গঠন—এই তিনটি বিধিমালা বা নির্দেশিকার খসড়া জনমতের জন্য প্রকাশ করেছি।'

রাশেদ মাকসুদ আরও বলেন, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের মাধ্যমে প্রণয়নের জন্য 'বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন' এবং 'ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড আইন'-এর খসড়াও তৈরি করেছেন তারা।

বার্তায় সব সহকর্মী, স্টেকহোল্ডার এবং সরকারকে তাদের সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান রাশেদ মাকসুদ।