বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী আজারবাইজান

Passenger Voice    |    ০৪:২৪ পিএম, ২০২৬-০৬-০৩


বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী আজারবাইজান

জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছে আজারবাইজান ও বাংলাদেশ। বিশেষ করে আজারবাইজান থেকে বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগের সুযোগ। এ তথ্য জানিয়েছেন আজারবাইজানের জ্বালানিমন্ত্রী পারভিজ শাহবাজভ।

আজারবাইজানের সংবাদমাধ্যম ক্যালিবার ডট এজেডের প্রতিবেদনে বলা হয়, পারভিজ শাহবাজভ তাঁর ভেরিফায়েড এক্স হ্যান্ডেল থেকে বিষয়টি শেয়ার করেন। আজারবাইজান সফররত বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি বিষয়টি জানান। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি খাতে সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে শাহবাজভ বলেন, ‘আমরা এলএনজি ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্যের সরবরাহ, বাংলাদেশের বাজারে সকারের (আজারবাইজানের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি) উপস্থিতির (বিনিয়োগের) সুযোগ, দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বহুমুখীকরণের ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় করেছি।’

আলোচনায় আজারবাইজান রিপাবলিকের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি সকারের—স্টেট ওয়েল কোম্পানি অব আজারবাইজান রিপাবলিকের বাংলাদেশের বাজারে কার্যক্রম সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও উঠে আসে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থাকে আরও বহুমুখী করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

বিশ্ব জ্বালানি বাজারের পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে উভয় পক্ষ জ্বালানি নিরাপত্তা ও সহযোগিতাকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে গুরুত্বারোপ করেছে।

এর আগে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলনের ফাঁকে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সে সময় আলিয়েভ বলেছিলেন, তাঁর দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আগ্রহী।

আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার ক্ষেত্রগুলো খুঁজে বের করতে আজারবাইজান সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আগামী বছরের প্রথম দিকে বাংলাদেশ সফর করবে।

প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ উল্লেখ করেন, তাঁর সরকার বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে উভয় দেশের জন্য বাড়তি সম্ভাবনা দেখতে পাওয়ায় ঢাকায় একটি আবাসিক দূতাবাস খোলার সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে।