খুলনায় স্থগিতাদেশের পরও ৬টি খেয়াঘাট ইজারা কার্যক্রম,আদালত অবমাননার মামলা

Passenger Voice    |    ০৪:২৯ পিএম, ২০২৬-০৫-২০


খুলনায় স্থগিতাদেশের পরও ৬টি খেয়াঘাট ইজারা কার্যক্রম,আদালত অবমাননার মামলা

খুলনায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও ৬টি খেয়াঘাট ইজারা কার্যক্রম চালানোর প্রস্তুতির অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করেছেন ঘাটের বর্তমান ইজারাদার শেখ আলী আকবর। তার দাবি, আদালতের আদেশ অনুযায়ী ঘাটগুলো এখনো আইনগতভাবে তার ভোগদখলে।

জানা যায়, খুলনা সদর, রূপসা, দৌলতপুর, দিঘুলিয়া ও খান জাহান আলী থানার আওতাধীন রূপসা, কাস্টমস, কালিবাড়ি, মহেশ্বরপাশা-দৌলতপুর, হার্ডবোর্ড/চন্দনীমহল ও বারাকপুর খেয়া/ফেরিঘাটগুলো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এর মধ্যেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য নতুন করে ইজারা দিতে বিআইডব্লিউটিএ খুলনা একাধিক পত্রিকা ও নিজস্ব ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এতে আপত্তি জানিয়ে ইজারাদার পক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলে চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল আদালত উক্ত টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি ও সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেন। 

পরবর্তীতে ৭ ও ১০ মে স্থগিতাদেশের অনুলিপি নৌ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, এই আদেশ উপেক্ষা করে বিআইডব্লিউটিএর কিছু অসাধু কর্মকর্তা স্থানীয় একটি চক্রের সঙ্গে যোগসাজশ করে বৃহস্পতিবার (২১ মে) টেন্ডার কার্যক্রম সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছেন।

এ ঘটনায় চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আদালত অবমাননার মামলা (নং-২৯/২০২৬) দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন, বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা, পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন, যুগ্ম পরিচালক এ কে এম কায়সারুল ইসলাম এবং উপপরিচালক মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ।

এ বিষয়ে বাদীপক্ষ দাবি করেছেন, আদালতের স্থগিতাদেশ বহাল থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের টেন্ডার কার্যক্রম আইনগতভাবে অবৈধ এবং তা সম্পন্ন করার চেষ্টা আদালত অবমাননার শামিল।