শিরোনাম
Passenger Voice | ০৩:৪৭ পিএম, ২০২৬-০৫-১৯
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, র্যাব বিলুপ্তির যে দাবি বিএনপি করেছিল, এক অর্থে সেভাবে র্যাব আর থাকছে না। কারণ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, র্যাবের জন্য পূর্ণাঙ্গ আইন করা হবে। নতুন আইনে র্যাবের সব কার্যক্রম আরো সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হবে
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) জন্য নতুন আইন প্রণয়নের কাজ চলছে এবং বাহিনীটির নামও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। আজ মঙ্গলবার সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সরকারের তিন মাসের কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াসীন।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, র্যাব বিলুপ্তির যে দাবি বিএনপি করেছিল, এক অর্থে সেভাবে র্যাব আর থাকছে না। কারণ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, র্যাবের জন্য পূর্ণাঙ্গ আইন করা হবে। নতুন আইনে র্যাবের সব কার্যক্রম আরও সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হবে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, র্যাবের নাম পরিবর্তনের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং আইন প্রণয়নের কাজও সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। অতীতে র্যাবকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে। শেখ হাসিনার সময় যেভাবে র্যাবকে ব্যবহার করা হয়েছে, তা ছিল সরকারের প্রত্যক্ষ সমর্থনে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এমন ঘটনা ঘটেনি।
প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা বলেন, একটি রাষ্ট্রে দক্ষ এলিট ফোর্সের প্রয়োজন রয়েছে। র্যাব নানা ধরনের সন্ত্রাস ও অপরাধ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাদের উন্নত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক সরঞ্জাম রয়েছে। তাই এলিট ফোর্স থাকবে, সেটা র্যাব নামে হোক বা অন্য কোনো নামে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস করে না। বাংলাদেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠাই নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল লক্ষ্য। শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তার বিরুদ্ধেও বিচারিক প্রক্রিয়াতেই ব্যবস্থা নেয়া হবে, কোনো এক্সট্রা জুডিশিয়াল পদক্ষেপ নেয়া হবে না।
সাংবাদিকদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা মানবাধিকার লঙ্ঘনে উসকানির অভিযোগ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। আবার কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে মামলা হলে সরকার সেটিও দেখবে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত