চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান

Passenger Voice    |    ০৮:২৮ পিএম, ২০২৬-০৫-০৫


চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান

চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলায় বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনায় ৭২টি  ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ৩ কোটি ১২ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ট্রাস্টি বোর্ড।

মঙ্গলবার (৫ মে) বিকালে সংস্থাটির নতুনপাড়াস্থ কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব ক্ষতিপূরণ চেক হস্তান্তর করা হয়।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিহত ৫৪টি পরিবারের মধ্যে ২,৭০,০০,০০০(দুই কোটি সত্তর লক্ষ) টাকা এবং আহত ১৮টি পরিবারের মধ্যে ৪২,০০,০০০(বিয়াল্লিশ লক্ষ) টাকা বিতরণ করা হয়। 

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থেকে চেক বিতরন করেন বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিঃ) মোঃ মাসুদ আলম।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরশেদুল আলম কাদেরী,চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক জনাব কফিল উদ্দিন আহমেদ, বিআরটিএ চট্টমেট্রো-১ সার্কেলের উপপরিচালক (ইঞ্জিঃ) মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন বাস ও মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অলি আহাম্মদ,বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক (ইঞ্জিঃ) কে. এম. মাহাবুব কবির এবং বিআরটিএ চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ)উথোয়াইনু চৌধুরী।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থির বক্তাগণ তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব। এই ধরনের দুর্ঘটনায় অনেক পরিবার হঠাৎ করেই উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে আর্থিক ও মানসিক সংকটে পতিত হয়, যা তাঁদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। এই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রীয় সহায়তা কেবল আর্থিক অনুদান হিসেবে সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা ও দায়বদ্ধতার একটি প্রতিফলন।

বক্তারা আরও বলেন, বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে প্রদত্ত এ আর্থিক সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তাৎক্ষণিক আর্থিক সংকট লাঘবে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এর ফলে তাঁরা জরুরি প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হবে এবং নতুন করে জীবনযাত্রা পুনর্গঠনের সাহস ও প্রেরণা পাবে। পাশাপাশি, এই ধরনের সহায়তা তাঁদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে সড়ক নিরাপত্তা জোরদার এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তাঁরা।