মিছিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থলে আসছেন নেতাকর্মীরা

Passenger Voice    |    ০৩:৫৯ পিএম, ২০২৬-০৪-২৭


মিছিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থলে আসছেন নেতাকর্মীরা

মিছিলে-স্লোগানে মুখরিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনসভাস্থল যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ। সোমবার সকাল থেকে মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে আসতে শুরু করেছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেতাকর্মীদের চাপ বাড়তে শুরু করে। দুপুর আড়াইটার দিকেই লোকে লোকারণ্য হয়ে যায় জনসভাস্থল। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকাল ৪টায় জনসভায় ভাষণ দেবেন তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে মিছিলের নগরীতে রূপ নিয়েছে যশোর শহর। মুজিবসড়ক, চিত্রামোড়, গাড়িখানা, দড়াটানা, গরিবশাহ সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশির ভাগ সড়কে বন্ধ রয়েছে যান চলাচল। অনেকে হেঁটে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, যশোর শহরের সবকটি প্রবেশ মুখ দিয়ে মিছিল নিয়ে দলে দলে শহরে ঢুকছে মানুষ। প্রতিটি মিছিল এসে শেষ হচ্ছে জনসভাস্থলে।

বাঘারপাড়ার রায়পুর থেকে আসা বিএনপি কর্মী নুরুজ্জামান বলেন, ‘তারেক রহমানকে কখনও সরাসরি দেখা হয়নি। তার মা-বাবা দুজনকেই এই যশোরে দেখেছি। মাঠে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে, তার মধ্যেও কাজ ফেলে এসেছি, শুধু তারেক রহমানকে দেখতে। তার ভাষণ শুনবো বলে।’

সদরেরর ফতেপুর এলাকার নুরনবি বলেন, ‘যশোরে উন্নয়নের কারিগর বলা হয় তরিকুল ইসলামকে। তার হাত দিয়ে এই অঞ্চলে উন্নয়ন করেছে বিএনপি। দীর্ঘদিন ধরে যশোরবাসীর দাবি সিটি করপোরেশন ও ৫০০ শয্যা হাসপাতালের। আজ হাসপাতালটির কাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সিটি করপোরেশন ঘোষণা করবেন আশা করি।’

যশোর জেলা বিএপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক এই জনসভায় লক্ষাধিক লোক সমাগমের টার্গেট করছেন। এর বেশির ভাগই আসবেন শহরের বাইরে থেকে। বৃহত্তর যশোরের চার জেলা ছাড়াও খুলনা বিভাগের অন্য ১০ জেলা থেকেও কমবেশি মানুষ জনসভায় আসবেন। একটি শান্তিপূর্ণ ঐতিহাসিক জনসভা উপহার দেওয়ার চেষ্টা করছে জেলা বিএনপি।

এদিকে, আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি যশোর বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে তাকে স্বাগত জানান যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা। সেখান থেকে শার্শায় যান প্রধানমন্ত্রী।

শার্শা থেকে ফিরে যশোর সার্কিট হাউসে স্বল্প বিরতির পর বিকালে যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জনসভায় বক্তব্য দেবেন। দিনের কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।