শিরোনাম
Passenger Voice | ০৬:১১ পিএম, ২০২৬-০৪-২১
চাল আমদানির সরকার ঘোষিত বর্ধিত সময় শেষ হয়েছে। বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বর্ধিত এই ৪০ দিনের মধ্যে তিন দিনেই ছয়টি চালানে এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। আমদানি করা চালের এসব চালান বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে আছে।
গত ১১ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত ৪০ দিনের মধ্যে মাত্র তিন কার্যদিবসে এসব চাল ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। ছয় চালানের মাধ্যমে বেনাপোল বন্দরে এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন চাল আমদানি হলো। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন।
চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজ এবং লাইবা ওভারসিস নামে দুটি প্রতিষ্ঠান। আমদানি করা চাল বন্দর থেকে ছাড় নেওয়ার জন্য কাজ করছে মেসার্স রাতুল ইন্টারন্যাশনাল।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, চাল আমদানির পরিমাণ কমে এবং দেশের বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় পুনরায় আমদানির সময় ১১ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত অর্থ্যাৎ ৪০ দিন বাড়ানো হয়। এর মধ্যে মাত্র তিন দিনে ছয় চালানে এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়।
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ এই তিন মাসে আমদানি হয়েছিল ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন। ওই সময় গত ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ১০ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে চাল আমদানি ফলপ্রসূ না হওয়ায় পুনরায় ১১ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল ৪০ দিন সময় বৃদ্ধি করে। এবারও আমদানিতে বিপর্যয় দেখা দেয়। সেই সময়সীমা সোমবার শেষ হয়ে গেছে। সরকারের পক্ষ থেকে নতুন করে আর সময় বাড়ানো হয়নি।
যশোরের নওয়াপাড়ার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজের মালিক লিটন হোসেন বলেন, ‘বর্ধিত ৪০ দিনের মধ্যে মাত্র তিন দিনে ভারত থেকে ৩৪ ট্রাকে প্রায় এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি করেছি আমরা। আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানি খরচ পড়েছে ৫০ টাকা। খোলা বাজারে এই চাল প্রতি কেজি ৫১ টাকায় বিক্রি করা হবে।’
বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ‘বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৪০ দিনে দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ছয় চালানে প্রায় এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করেছে। আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে ইতোমধ্যে খালাস নেওয়া হয়েছে।’
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত