এনসিপিতে যোগ দিলেন এবি পার্টি-আপ বাংলাদেশ-বৈছাআর ৩০ নেতা-কর্মী

Passenger Voice    |    ০৩:৪৮ পিএম, ২০২৬-০৪-১৯


এনসিপিতে যোগ দিলেন এবি পার্টি-আপ বাংলাদেশ-বৈছাআর ৩০ নেতা-কর্মী

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন এবি পার্টি, আপ বাংলাদেশ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ত্রিশ জনেরও বেশি নেতা-কর্মী। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন— আপ বাংলাদেশ-এর আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) সভাপতি রিফাত রশিদ ও এবি পার্টির (আমার বাংলাদেশ পার্টি) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানী আবদুল হক।

আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব নেতার যোগদানের তথ্য জানান দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ সময় দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমও উপস্থিত ছিলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ছাত্রদল হোক, ছাত্রশিবির হোক, ছাত্র অধিকার পরিষদ এমনকি ছাত্রলীগ হোক, কার কী সাবেক পরিচয়, এটা আমাদের কাছে মুখ্য নয়। আজকে থেকে যখন কেউ এনসিপিতে আসবে সে এনসিপির নেতা-কর্মী হিসেবে কাজ করবে। এনসিপির আদর্শকে ধারণ করে কাজ করবে। কার কী সাবেক পরিচয় এটা আমাদের কাছে মুখ্য নয়। তবে কোনো ফ্যাসিজমে অংশগ্রহণকারী, গণহত্যায় অংশগ্রহণকারী গণহত্যাকে সমর্থনকারী, চাঁদাবাজ, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত, সন্ত্রাসে জড়িত— এ ধরনের কোনো ব্যক্তি কখনোই এনসিপিতে আসতে পারবে না। এনসিপিতে থাকতে পারবে না।

নাহিদ বলেন, আজকে যারা আসছেন, আমরা মনে করি তাঁরা আমাদের সঙ্গেই এত দিন ছিলেন। আমরা একসঙ্গেই আসলে ছিলাম। হয়তো প্ল্যাটফর্ম ভিন্ন ছিল। আজকে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হচ্ছি এবং সারা দেশের তরুণদের আমরা আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি সব বয়সী মানুষদের আহ্বান জানাচ্ছি। জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির হাতকে শক্তিশালী করুন এনসিপিতে যোগ দিন এনসিপিকে নানাভাবে সহযোগিতা করুন এনসিপি এখনো সংস্কারের পক্ষে দৃঢ় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। বিচারের প্রশ্নে আমাদের ভূমিকা থাকবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ভূমিকা রাখবে। সর্বোপরি বাংলাদেশে নতুন কোনো স্বৈরতন্ত্রের যাতে উদ্ভব না ঘটে এইজন্য তরুণদের ভূমিকা রাখতে হবে এবং বাংলাদেশের মানুষ গণভোটের রায় দিয়েছে সংস্কারের পক্ষে সেই রায়কে আমাদের অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। জনগণকে তার অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।

এ সময় আসিফ মাহমুদ বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতি, জনগণের আকাঙ্ক্ষা তথা সংস্কার বাস্তবায়ন, একটি সুন্দর বাংলাদেশ রাষ্ট্র বিনির্মাণ করা এবং গণহত্যাকারীদের বিচারসহ সব বিষয়ে একটি শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঐক্যবদ্ধ থাকতে এ সময় একটি সামষ্টিক বোঝাপড়া হচ্ছে। জনগণের দীর্ঘ আকাঙ্ক্ষিত সুন্দর রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করা আমাদের লক্ষ্য। আজকে তারই অংশ হিসেবে একাধিক প্ল্যাটফর্মের নেতারা এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন।