শিরোনাম
Passenger Voice | ১০:৪১ এএম, ২০২৬-০৪-১২
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অন্তর্গত ‘জিয়া সরণি খাল’ ও ‘শ্যামপুর খাল’ উন্নয়ন, পুনরুদ্ধার ও আধুনিকায়নে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার দুটি মেগা প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। ডিএসসিসির অর্থায়ন ও উদ্যোগে দুটি খালের জন্য যথাক্রমে ৩০০ ও ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
শনিবার (১১ এপ্রিল) খালের বর্তমান অবস্থা ও পরিষ্কার কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করে এমন তথ্য জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, জিয়া সরণি খালকে পুনরুদ্ধারে ডিএসসিসিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে সংযুক্ত করতে ইতোমধ্যে ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জুলাই থেকে স্থায়ী গাইডওয়াল নির্মাণ, সৌন্দর্যবর্ধন এবং দুই পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
তিনি বলেন, প্রশাসক আব্দুস সালামের দায়িত্ব গ্রহণের পর শ্যামপুর খাল উন্নয়নের ৯০০ কোটি টাকার প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে। এখানে আধুনিক নেটিং ব্যবস্থা ও হাঁটার রাস্তা তৈরি করা হবে। খাল পরিচ্ছন্ন রাখতে স্থানীয় নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ময়লা সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত ড্রামে ফেলুন। আমরা প্রতিটি ব্লকে সচেতন নাগরিক কমিটি গঠন করব, যারা ডিএসসিসি প্রশাসকের সঙ্গে সমন্বয় করে খালের রক্ষণাবেক্ষণ মনিটর করবেন।’
পরিদর্শনকালে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসন এবং জনভোগান্তি দূর করতে আমরা এই খালটিকে চলাচলের উপযোগী ও পানিপ্রবাহ সচল করার কাজ শুরু করেছি। বর্তমানে পানিপ্রবাহের দিক পরিবর্তন করে বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুততম সময়ে পানি নিষ্কাশন সম্ভব হয়। এই প্রকৌশলগত পরিবর্তনের ফলে নিষ্কাশন পথ কমে আসবে এবং এলাকার জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে দূর হবে।’ তিনি জানান, ডিএসসিসির নিজস্ব অর্থে বর্তমানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও প্রাথমিক পরিষ্কার কার্যক্রম চলছে।’
এদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রশাসক কুতুবখালী খাল পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সড়ক পরিবহন ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের উপস্থিতিতে রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক।
পৃথক কর্মসূচিতে ইস্কাটন এলাকায় সকালে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক। এ সময় সচিব নিবাস ওয়ালফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে যানজট ও জনভোগান্তি নিরসনে সায়েদাবাদ আন্তজেলা বাস টার্মিনাল এলাকায় অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদে টানা তৃতীয় দিনের মতো ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে ডিএসসিসি। এ সময় ৩০টি অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ ও সিলগালা করে দেওয়া হয়।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত