শিরোনাম
Passenger Voice | ০২:৩০ পিএম, ২০২৬-০৪-১১
রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের জন্য ভোর থেকেই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল চালকেরা। কোনো ফিলিং স্টেশনে তেল শেষ হয়ে গেছে, কোথাও ডিপো থেকে আসার পথে রয়েছে, আবার কোথাও সীমিত আকারে বিক্রি চলছে— এমনই মিশ্র চিত্র দেখা গেছে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায়।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ ও তেজগাঁও এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিনে রামপুরা-মালিবাগ সড়কের মালিবাগ অটো সার্ভিস (হাজিপাড়া পেট্রোল পাম্প) এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ডিজেল ও অকটেন শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে শুধু অটোগ্যাস বিক্রি করা হচ্ছে। পাম্পের বাইরে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে ‘ডিজেল নাই, অকটেন নাই’ লেখা সাইনবোর্ড। এমনকি ফুয়েল ডিসপেন্সারগুলো কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।
হাজিপাড়া পেট্রোল পাম্পের একজন কর্মী জানান, তাদের ৯ হাজার লিটার অকটেন আগের দিনই শেষ হয়ে গেছে। একইভাবে ৫ হাজার লিটার ডিজেলও শেষ হয়েছে। নতুন করে ডিপো থেকে কোনো জ্বালানি তেলের গাড়ি আসেনি। এ কারণে আজ তারা ডিজেল ও অকটেন বিক্রি করতে পারছেন না। তবে সন্ধ্যার দিকে জ্বালানি তেলের গাড়ি আসতে পারে। তেল এলে আগামীকাল থেকে আবার বিক্রি শুরু করা যাবে।
অন্যদিকে, দুপুর সোয়া ১টার দিকে তেজগাঁও সিটি ফিলিং স্টেশন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পাম্পের বাইরে শত শত যানবাহন লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। লাইনের প্রথম প্রাইভেটকারটি ভোর ৫টায় এসে অবস্থান নেয়। প্রথম মোটরসাইকেলটি আসে সকাল ৯টায় এবং ডিজেলের জন্য প্রথম পিকআপটি আসে বেলা ১১টায়। এ তিনটি যানবাহনই লাইনের শুরুতে রয়েছে।
এ সময় একটি ডিপো থেকে আসা ডিজেলের গাড়ি পাম্পে প্রবেশ করতে দেখা যায়। পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, অকটেন বহনকারী গাড়িও পথে রয়েছে এবং তা পৌঁছালে বিক্রি শুরু করা হবে।
লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, আমি সকাল থেকে চার ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছি। আমি লাইনের প্রথমে আছি। পাম্প কর্তৃপক্ষ বলেছে অকটেনের গাড়ি পথে আছে। গাড়ি এলেই খালাস করে তেল দেওয়া হবে। তাই অপেক্ষা করছি।
এদিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকার আরেকটি বড় ফিলিং স্টেশন সাওদান অটোমোবাইলস লিমিটেডে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে স্বাভাবিকভাবেই জ্বালানি তেল বিক্রি চলছে। মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, বাস ও ট্রাক লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করছে।
ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে জানা গেছে, সংকটের কারণে নির্দিষ্ট পরিমাণে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিটি মোটরসাইকেলকে ৫০০ টাকার তেল, প্রাইভেটকারে সর্বোচ্চ ২০ লিটার এবং পিকআপে ১০ লিটার করে ডিজেল দেওয়া হচ্ছে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত