শিরোনাম
Passenger Voice | ১২:০৭ পিএম, ২০২৬-০৪-০৩
দেশের মানুষের কল্যাণে নিরলস পরিশ্রমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত টানা ১৬ ঘণ্টা অফিসিয়াল কর্মকাণ্ড ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি এই নজির স্থাপন করেন।
সকাল ঠিক ৯টায় সচিবালয়ে দিনের কাজ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। নিজ দপ্তরে এসেই তিনি একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ফাইল পর্যালোচনা, উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। প্রতিটি কাজে তার তীক্ষ্ণ মনোযোগ ও দৃঢ়তা লক্ষ করা গেছে। সময় যেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে দায়িত্ব পালনের এক অবিরাম ধারা, যেখানে ক্লান্তি স্পর্শ করতে পারেনি তাকে। দেশের নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিতে নিতে বিকেল গড়িয়ে গেলেও তার কর্মস্পৃহা ছিল বিন্দুমাত্র ম্লানহীন।
সচিবালয়ের কর্মযজ্ঞ শেষ করে বিকেল সাড়ে তিনটায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যোগ দেন জাতীয় সংসদের অধিবেশনে। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা, নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত এবং জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে রাত ৮টা পর্যন্ত তার সক্রিয় উপস্থিতি ছিল এক জনমুখী রাষ্ট্রনায়কের দায়বদ্ধতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।
সংসদ অধিবেশন শেষেও প্রধানমন্ত্রীর দিনের কর্মসূচি শেষ হয়নি। রাত পৌনে ৯টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে শুরু হয় মন্ত্রিপরিষদের বিশেষ বৈঠক। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, বিদ্যমান সংকট মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সেখানে দীর্ঘ আলোচনা চলে। অবশেষে রাত ১১টা ৩০ মিনিটের পর সেই বৈঠক শেষ হয়। এরপরও প্রধানমন্ত্রী পুনরায় সংসদ সচিবালয়ের নিজ দপ্তরে ফিরে দাপ্তরিক কাজে বসেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত টানা অফিস করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দৈনিক ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা অফিস করা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত রুটিন বলা যায়। তবে আজ তা প্রায় ১৬ ঘণ্টা ছুঁয়েছে।”
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও যোগ করেন, “এই দীর্ঘ কর্মঘণ্টা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি দেশবাসীর জন্য একটি বিশেষ বার্তা। যখন অনেকেই দিনের শেষে বিশ্রামে যান, তখনও একজন নেতা জেগে থাকেন দেশের তরে, আগামীর সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য।”
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত