সীতাকুন্ডে ভাড়া নৈরাজ্য:৮ নং বাসের বিরুদ্ধে বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ

Passenger Voice    |    ০৫:০৪ পিএম, ২০২৬-০৩-২৮


সীতাকুন্ডে ভাড়া নৈরাজ্য:৮ নং বাসের বিরুদ্ধে বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ

মোঃ জয়নাল আবেদীন: চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে ভাড়া নৈরাজ্য থামছেনা।প্রতিদিন জীবিকার তাগিদে সীতাকুন্ড থেকে চট্টগ্রাম শহরে যান হাজার হাজার কর্মজীবি নারী-পুরুষ।এমতবস্থায় যাত্রীদের ভীড় এবং চাহিদা বুঝতে পেরে বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ উঠেছে ৮ নং বাসের বিরুদ্ধে।ঈদের আগে এবং পরেও যাত্রীদের পকেট কাটা রীতিমতো অভ্যাসে পরিণত হয়েছে চালকদের।ঈদের রেশ কেটে গেলেও বাড়তি ভাড়া নেয়ার মেজাজ কমেনি।

সীতাকুন্ড প্রেস ক্লাবের সদস্য খাইরুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বলেন, চালকেরা নিজের মত ভাড়া নির্ধারণ করছে।সীতাকুন্ড হতে চট্টগ্রাম যেতে প্রতিজন একশ টাকা ভাড়া আদায় করছে। এছাড়া লোকাল যেতে ভাড়া নিচ্ছে ৮০ টাকা।মহাসড়কে জনদুর্ভোগ রাস্তায় দেখার কেউ নেই। কোন মা বাপ নেই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম পরিবহন সংকট ও যাত্রীদের চাপ দেখা দিলে বাড়তি ভাড়া হাকাচ্ছেন বাস চালকরা। এছাড়া ঈদের  ৬ষ্ঠ দিনে এসেও ভাড়া বাড়তি নেয়ার অভিযোগ অহরহ। ট্রাফিক পুলিশের তদারকি না থাকায় ইচ্ছেমত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।সীতাকুন্ডের মিনিবাস ৮ নং গাড়ি গ্যাস চালিত হলেও তেলের গাড়ির চেয়ে দিগুন ভাড়া আদায় করছে। যাত্রীরা তাদের কাছে জিম্মি।সীতাকুন্ড থেকে চট্টগ্রামে ৮ নং বাসের ভাড়া ৪০ টাকা হলেও নেয়া হচ্ছে ৮০-১০০টাকা।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সীতাকুন্ড বাস মালিক সমিতির সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম প্যাসেঞ্জার ভয়েসকে বলেন, বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ পেয়েছি এটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।বাস মালিক সমিতি এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিবে।কোনভাবেই মালিক সমিতি এসবের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।ইতিমধ্যে কয়েকটি বাসের নাম্বার সংগ্রহ করেছি সেই সমস্ত বাসের চালকদের সাসপেন্ড করা হবে।এছাড়া বিষয়টি শ্রমিক পরিবহন সংগঠন তাদের মত করে ব্যবস্থা নিবে।বাড়তি ভাড়া আদায়কারীদের বিরুদ্ধে ট্রাফিক পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।সাধারণ যাত্রীদের সেবায় আমরা বদ্ধপরিকর।এই ধরনের অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গে জানানোর অনুরোধ করছি।

যাত্রীরা প্যাসেঞ্জার ভয়েসকে বলেন, সুযোগ বুঝে বাড়তি ভাড়া নেওয়া এই রুটের চিরাচরিত ঘটনা। এসব থেকে পরিত্রান পেতে হলে চালকদের বিরুদ্ধে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিতে হবে এবং প্রয়োজনে তাদের লাইসেন্স বাতিল করতে হবে।

এই বিষয়ে সীতাকুন্ড সার্জেন্ট মাজহারুল ইসলাম প্যাসেঞ্জার ভয়েসকে বলেন, এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।