চাহিদার বেশি তেল সরবরাহ মানেই ব্ল্যাক মার্কেটিং:জ্বালানিমন্ত্রী

Passenger Voice    |    ০৫:০৭ পিএম, ২০২৬-০৩-২৭


চাহিদার বেশি তেল সরবরাহ মানেই ব্ল্যাক মার্কেটিং:জ্বালানিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ার পেছনে অসাধু চক্রের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত তেল সরবরাহ মানেই কোথাও না কোথাও ব্ল্যাক মার্কেটিং হচ্ছে।

শুক্রবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ এলাকায় ৬৮ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্ট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আগে একটি পেট্রল পাম্পে দিনে একটি লরি তেল সরবরাহ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে অস্বাভাবিক চাহিদার কারণে সেই তেল অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে অনেক পেট্রল পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হচ্ছে। হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধির মধ্যে অনিয়মের ইঙ্গিত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে ব্ল্যাক মার্কেটে তেল বিক্রির ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এ বিষয়ে কঠোর নজরদারির জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, চাহিদার বেশি তেল সংগ্রহ করবেন না। এতে ব্ল্যাক মার্কেটিংয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়। কেউ এ ধরনের অনিয়ম করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করুন।

বিদ্যুৎ খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, টেকসই জ্বালানি নিশ্চিত করতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সিরাজগঞ্জে বৃহৎ পরিসরে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা রয়েছে এবং ভবিষ্যতে এখানে ৩৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রয়েছে। এ কারণে চলতি রমজান মাসে বিদ্যুৎ সরবরাহে উল্লেখযোগ্য কোনো সমস্যা দেখা যায়নি।

এ সময় জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন খান, প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।‌ পরে মন্ত্রী সয়দাবাদ এলাকায় সড়ক উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেন এবং কামারখন্দ উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।