শিরোনাম
Passenger Voice | ১২:০৬ পিএম, ২০২৬-০৩-২৪
নৌ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেছেন, স্মরণকালের মধ্যে এবারের ঈদে লঞ্চযাত্রায় সবচেয়ে কম দুর্ভোগ হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যায় বরিশাল নদীবন্দর ও ঢাকাগামী লঞ্চগুলো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বরিশাল নদীবন্দরে থাকা সবকটি লঞ্চ তিনি ঘুরে দেখেছেন। ভাড়ার সরকারি তালিকা ও ১০ শতাংশ ছাড়ের চার্ট টানানো আছে কিনা তা যাচাই করেছেন। তিনি জানান, নির্ধারিত ১০ শতাংশ ছাড়ে ভাড়া দাঁড়ায় ৩৬৩ টাকা, তবে যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে ৩৫০ টাকা। যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া না দিতে মাইকিং করে সচেতন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বন্দর ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই ঈদযাত্রায় ঘাটে অনাকাঙ্ক্ষিত লোকজনের উপস্থিতি নেই। হকারমুক্ত করার পাশাপাশি নৌকা থেকে লঞ্চে ওঠার প্রবণতা নিরুৎসাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, স্বাভাবিক সময়ে বরিশাল নদীবন্দরে তিন থেকে পাঁচটি লঞ্চ নোঙর করে, কিন্তু আজ ১০টি লঞ্চ রয়েছে। ফলে পন্টুনে জায়গা সংকটে এক লঞ্চের পেছনে আরেকটি লঞ্চ ভেড়াতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ঈদের এই কয়েক দিনে পন্টুন বাড়ানো সম্ভব নয়। তবে বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তাদের পুরো টার্মিনাল ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছি, যাতে ভবিষ্যতে এক লঞ্চের পেছনে আরেকটি ভেড়াতে না হয়।
লঞ্চে যাত্রী ডাকাডাকি বন্ধের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ প্রথা শুধু ঈদের জন্য নয়, স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে। কোনো জাহাজে যদি যাত্রী ডাকাডাকি বা টানাহেঁচড়ার অভিযোগ ওঠে, ভিডিও ক্লিপ আমার কাছে পাঠালেই সেই জাহাজ মালিক ও কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, এই সমস্যাগুলো একদিনে তৈরি হয়নি, একদিনে সমাধানও হবে না। তবে ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আমরা এগুলো নির্মূল করতে পারব। কেউ দায়িত্বে অবহেলা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে — বার্তাটি পরিষ্কার।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও লঞ্চ মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত