শিরোনাম
Passenger Voice | ১২:৩১ এএম, ২০২৬-০৩-১৯
ঈদের ছুটিতে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষদের দফায় দফায় বৃষ্টিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনাসেতু মহাসড়কে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপে যাচ্ছেন যারা তাদের ভোগান্তি বেশি।
শত কষ্ট হলেও ঈদের আনন্দ পরিবার ও আত্নীয়-স্বজনদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে ঘরমুখো হচ্ছেন। ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও নেই সেই চিরচেনা যানজট।
ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাস,এলেঙ্গা, পৌলি, রসুলপুরে ঘুরে দেখা যায়, বিকেলে শিলা বৃষ্টি ও দফায় দফায় বৃষ্টি হওয়াতে সকল বয়সী মানুষ ভোগান্তি পোহাতে পড়েন। খোলা ট্রাক ও পিকআপে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছে শিশু, নারী, পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকেই আবার দেখা গেছে ঘন্টার পর ঘন্টা বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন। যাত্রীরা যাত্রীবাহী বাস ছাড়াও ট্রাক, পিকআপে করে বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি যাচ্ছেন।
পুলিশ জানায়,বুধবার রাত সাড়ে ৮ পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়নি। মহাসড়কের গাজীপুর থেকে টাঙ্গাইল এলেঙ্গা পর্যন্ত চারলেন সুবিধা পাচ্ছেন যাত্রীরা। এতে নির্বিঘ্নেই যাত্রীরা যেতে পারছেন৷ এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার যানজটের আশস্কা করলেও এখন পর্যন্ত যানজট সৃষ্টি হয়নি।কিন্তু যানবাহনের চাপ রয়েছে। চালক ও যাত্রীরা নিবিঘ্নে গন্তব্য পৌঁছাচ্ছে।
রাবনা বাইপাস এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রী লিটন মিয়া বলেন,আমি পাবনা যাব। গাড়ি এখানে থামছেই না। বিকেলে বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হওয়ার ফলে যারা ট্রাক-পিকআপে যাচ্ছেন তারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। যদি বাস না পাই ট্রাক-পিকআপে যেতে হবে। যে বাস থামছে দ্বিগুন ভাড়া চাচ্ছে।
দাঁড়িয়ে থাকা আরেক যাত্রী গফুর বলেন, আমি প্রায় এক ঘন্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি। গাড়ি পাচ্ছি না। বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও পরিবহন গুলো ভাড়া বেশি যাচ্ছে। মানুষ ট্রাক-পিকআপে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছে। গাড়ি যদি না পাই ট্রাক বা পিকআপে যেতে হবে। আমি রাজশাহী যাব। ঈদের সময়টাতে আসলে মুখিয়ে থাকি যে পরিবারের সাথে ঈদ করতে হবে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন,বুধবার রাত সাড়ে ৮ পর্যন্ত যানবাহনের চাপ থাকলেও কোন যানজট সৃষ্টি হয়নি। যানবাহন স্বাভাবিক গতিতেই চলাচল করছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ সমন্বয়ে মহাসড়কে ২৪ ঘন্টায় কাজ করছে। যানজট যেন না হয় সেজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। চালক ও যাত্রীরা নিবিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত