শিরোনাম
Passenger Voice | ১০:৪২ এএম, ২০২৬-০৩-০৬
গত বছর দুই ঈদে চিহ্নিত যানজটপ্রবণ স্পটের সংখ্যা ছিল ১৫৯। এ হিসাবে এবার যানজটের ঝুঁকি বেড়েছে আরো ৪৮টি পয়েন্টে। গতকাল সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ আয়োজিত এক বিশেষ সমন্বয় সভায় হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে ঈদযাত্রা সহজ করতে এ স্পটগুলোকে বিশেষ নজরদারি ও মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে।
মহাসড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চিহ্নিত ২০৭ স্পটের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫৫টি পয়েন্ট রয়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪৫টি, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ৪৩ এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ২১টি স্পট চিহ্নিত করা হয়েছে। একইভাবে ঢাকা-আরিচা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ১৪টি করে, ঢাকা-কক্সবাজার মহাসড়কে নয়টি এবং যশোর-খুলনা মহাসড়কে ছয়টি স্পটকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ করিডোরগুলোর যাবতীয় সংস্কারকাজ ঈদের অন্তত ১০ দিন আগেই শেষ করতে হবে।
সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘এবারের ঈদযাত্রা ব্যবস্থাপনায় প্রশাসন, পুলিশ ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষ আগের চেয়ে বেশি তৎপর থাকবে। প্রায় দেড় কোটি মানুষের ঢাকা ত্যাগের এ বিশাল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার সর্বোচ্চ সক্ষমতা দিয়ে কাজ করছে।’
সড়কে চাঁদাবাজি বা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে নিবন্ধিত মালিক বা শ্রমিক সমিতি যদি বৈধভাবে কল্যাণ তহবিলের জন্য নির্ধারিত অর্থ সংগ্রহ করে তবে তা চাঁদাবাজি হিসেবে গণ্য হবে না।’
তিনি বলেন, ‘সড়কে চাঁদাবাজি বা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো সুযোগ নেই এবং এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পাশাপাশি যাত্রী সাধারণের সুবিধার্থে বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থাও প্রস্তুত রাখা হবে।’
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাজধানীর প্রধান বাস টার্মিনালগুলোতে সিসিটিভি স্থাপন করে তা কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এছাড়া অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও পণ্যবাহী গাড়িতে যাত্রী পরিবহন রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন।
মন্ত্রী জানান, যানজট নিরসনে ঈদের আগে ও পরে তিনদিন করে মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ থাকবে (নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ব্যতীত)। টোল প্লাজায় সার্বক্ষণিক ইটিসি বুথ এবং সিএনজি স্টেশনগুলো ঈদের আগে ও পরে নির্দিষ্ট কয়েকদিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া যাত্রীচাপ কমাতে শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের পর্যায়ক্রমে ছুটি দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্যা/ভ/ম
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত