শিরোনাম
Passenger Voice | ১২:০৭ পিএম, ২০২৬-০৩-০৫
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বেশিরভাগ কাউন্সিলর। এরপর বিভাগীয় কমিশনার মো. শওকত আলী গত ১৯ আগস্ট সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব নিয়েছেন। কিন্তু অধিকাংশ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর না থাকায় জন্মনিবন্ধন সনদ, মৃত্যু সনদ, সনদ সংশোধন, নাগরিকত্ব সনদ সরবরাহসহ নানা ধরনের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন নগরের বাসিন্দারা।
সিটিজেন চার্টার অনুযায়ী, ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে জন্মনিবন্ধন সনদ, মৃত্যুসনদ, সনদ সংশোধন, নাগরিকত্ব সনদ, চারিত্রিক সনদ, উত্তরাধিকার (ওয়ারিশ) সনদ, ভূমিহীন সনদ, টিসিবি কার্ড, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতার সত্যায়িত সনদসহ বিভিন্ন সনদ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকে বিভিন্ন প্রত্যয়নপত্র, অনাপত্তিপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার তালিকায় যাচাইকারী হিসেবে স্বাক্ষর দিতে হয় কাউন্সিলরকে। মামলা থাকাসহ নানা কারণে সিটি করপোরেশনের ১৪টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আত্মগোপনে। এ অবস্থায় মানুষ নানা ধরনের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এসব সনদ পেতে হলে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের সই প্রয়োজন। নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে মশক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজের তদারকি এবং টিসিবির পণ্য বিতরণের কাজও পরিচালিত হয় কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকে। কিন্তু কাউন্সিলররা আত্মগোপনে থাকায় তাদের কার্যালয়গুলো বন্ধ রয়েছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবাগ্রহীতারা।
সেবা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রশাসকরা
সেবাগ্রহীতারা বলছেন, একজন মেয়র ও ৩০ কাউন্সিলর ও ১০ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের স্থলে প্রথম শ্রেণির ২০ জন সরকারি কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দাফতরির কাজের চাপে প্রশাসক হিসেবে নগরবাসীকে বিভিন্ন সেবা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন তারা। একজন জনপ্রতিনিধি যে সেবা স্বল্প সময়ে দিতে পারতেন তা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে নগরবাসীকে। অনেকে প্রশাসকের কক্ষ পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারেন না। এতে নাগরিক সেবা অচল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে জন্মনিবন্ধন সনদ, মৃত্যুসনদ, সনদ সংশোধন, নাগরিকত্ব সনদ, ওয়ারিশ সনদ, মাতৃত্বকালীন সনদ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেবা পেতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ কারণে সবশেশে সাবেক কাউন্সিলর অফিসে ধরনা দিচ্ছেন। সেবাগ্রহীতাদের দাবি, নির্বাচন হওয়ার আগ পর্যন্ত অন্তত আগের নির্বাচিত কাউন্সিলরদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হোক। এতে ভোগান্তি কমবে।
সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, আগে জন্মনিবন্ধন সনদ, মৃত্যু সনদ, নাগরিকত্ব সনদ সরবরাহসহ বিভিন্ন সেবা নগরের সদর রোডের বিবির পুকুরপাড়ের এনেক্স ভবন থেকে দেওয়া হতো। ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নাগরিকদের সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের কার্যালয় থেকে এসব সেবা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেই থেকে নগরের ৩০টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে এসব সেবা প্রদান করা হতো। এজন্য সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের সার্ভারের আইডি ও পাসওয়ার্ড দেওয়া হয়েছিল।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৫ আগস্ট থেকে নগরে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলররা আত্মগোপনে চলে যান। কয়েকজন কাউন্সিলরের কার্যালয় বিক্ষুব্ধ লোকজন পুড়িয়ে দেন। একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলর আগুনে পুড়ে মারা যান। অন্যদিকে বিএনপির দায়ের করা পৃথক তিনটি মামলায় আসামি হয়েছেন অন্তত ১৭ জন কাউন্সিলর। এসব কাউন্সিলর প্রথম কয়েকদিন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। পরে প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা করলে গত ২৩ আগস্ট বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান বাদী হয়ে বরিশাল কোতোয়ালি থানায় ৩৮১ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় ১৩ জন কাউন্সিলরকেও আসামি করা হয়। এ অবস্থায় আবার গা ঢাকা দেন সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলররা। এরপর আরও দুটি মামলা হয়েছে। সেখানেও বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর আসামি হয়েছেন। এতে ৩০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২৪ জন কাউন্সিলর আত্মগোপনে এবং একজন আগুনে পুড়ে মারা যাওয়ায় এসব ওয়ার্ডে নাগরিক সেবা ভেঙে পড়ে।
নগরের একাধিক বাসিন্দা জানান, সিটি মেয়রের দায়িত্বে আছেন বিভাগীয় কমিশনার। তিনি রুটিন মাফিক কাজ করেন। তবে বহুতল ভবনের প্ল্যান পাসের বিষয়ে শতভাগ আইনের মধ্যে থাকায় দুর্ভোগে পড়েছে কনস্ট্রাকশন ফার্মগুলো। এ নিয়ে আন্দোলনও হয়েছে। এরপরও কোনও সমাধান হয়নি।
জনপ্রতিনিধির কাজ প্রশাসক দিয়ে হয় না
নগরীর কালু খাঁ বাড়ির বাসিন্দা মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘গত বছরের শেষ দিকে আমার ছেলেকে জিলা স্কুলে ভর্তি করাতে লটারিতে অংশগ্রহণের জন্য জন্মনিবন্ধন সনদের প্রয়োজন হয়। সড়ক ও জনপথ বিভাগের এক কর্মকর্তা আমার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের স্থলে প্রশাসক। তার অফিস কক্ষের সামনে গিয়ে পিয়নের কাছে সমস্যার কথা জানানোর পর জবাব দেন স্যার ব্যস্ত। এক সপ্তাহ ঘুরে তার দেখা পাওয়ার পরও এক মাস লেগে যায় সেই সনদ আনতে। যা আগে এক সপ্তাহের মধ্যে পাওয়া যেতো।’
তিনি বলেন, ‘জনপ্রতিনিধি আর প্রশাসকের মধ্যে পার্থক্য অনেক। জনপ্রতিনিধির কাজ প্রশাসক দিয়ে হয় না। জনপ্রতিনিধিদের অফিসে না পাওয়া গেলে বাসায় গিয়ে সমস্যার কথা বলা যায়। কাউন্সিলর দ্রুত সমাধান দেন। না হলে কার কাছে সমাধান পাওয়া যাবে তার কাছে পাঠাতেন। আর প্রশাসক সরকারি কর্মকর্তা হওয়ায় তার সঙ্গে কথাই বলা যায় না। তার মুখ থেকে তেমন কোনও কথাই বের হয় না। কী কাজ, আমার লোকের কাছে রেখে যান, আর মোবাইল নম্বর দিয়ে যান, কাজ হলে সে আপনাকে ফোনে খবর দেবে; এসব বলে বিদায় করে দেন। তার অফিসের পিয়ন কাউকে আজও ফোন দিয়েছে কিনা, তা আমার জানা নেই।’
একই ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন নগরীর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পুষ্প চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ‘আমার নাগরিক সনদের প্রয়োজন ছিল। এজন্য আগের কাউন্সিলর সৈয়দ হুমায়ুন কবির লিংকুর কার্যালয়ে যাই। সেখানে যাওয়ার পর আমাকে ওই ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা প্রশাসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু এক মাস ঘুরেও প্রশাসকের কক্ষে প্রবেশ করতে পারিনি। পরবর্তীতে কাউন্সিলর তার নিজস্ব লোক দিয়ে আমার সনদ এনে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। এগুলো ভোগান্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।’
এভাবে গত দেড় বছর ধরে বিভিন্ন সনদ পেতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে। এখন তারা বিভিন্ন কাউন্সিলরের অফিসে গিয়ে ধরনা দিচ্ছেন। তাদের মাধ্যমে প্রশাসকদের কাছ থেকে সনদ গ্রহণ করছেন। যেসব কাউন্সিলর মামলার আসামি হওয়ার পরও প্রকাশ্যে এসেছেন তারা নিজের কার্যালয় খোলা রাখছেন।
যা বলছেন সাবেক কাউন্সিলররা
সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ হুমায়ুন কবির লিংকু, ফিরোজ আহমেদ ও হুমায়ুন কবির জানান, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে মেয়র পদে বিভাগীয় কমিশনার এবং ৪০ জন কাউন্সিললের স্থলে ২০ জন সরকারি কর্মকর্তাকে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে বড় সমস্যা হচ্ছে ওসব কর্মকর্তাকে তাদের অফিসের কাজের পাশাপাশি নগরবাসীকে বিভিন্ন সেবা দিতে হয়। কিন্তু নগরবাসী কর্মকর্তাদের অফিস কক্ষেই প্রবেশ করতে পারছেন না। কারণ তাদের প্রটোকল আছে। প্রটোকল ভেঙে তাদের কাছে গিয়ে সমস্যার কথা বলা এবং সমাধান নেওয়া দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন সনদ ছাড়াও জরুরি সেবা, নগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ এবং রাতে বাতি না জ্বলাসহ নানা কার্যক্রম অচল অবস্থায় পড়ে আছে। যার সমাধান প্রশাসকের পক্ষে দেওয়া সম্ভব হয় না। এমনকি সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন দফতরে মোবাইল করলেও গুরুত্ব দেন না। এ কারণে কাউন্সিলররা সিটি করপোরেশনে কল করে সেবাগ্রহীতাদের জরুরি কিছু কাজ করিয়ে দিচ্ছেন।
২ নম্বর ওয়ার্ডের তিনবারের সাবেক কাউন্সিলর মর্তুজা আবেদীন বলেন, ‘প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাদের কাছ থেকে নগরবাসী সেবা পাচ্ছেন না। একটি নাগরিক সনদ পেতে দেড় মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করার নজির আছে। আমার কার্যালয়ে প্রতিদিন ওয়ার্ডের লোকজন আসছেন সনদের জন্য।’
সমাধান কী
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, ‘কাউন্সিলরদের স্থলে প্রশাসক হিসেবে সরকারি কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ওই কর্মকর্তারা তার প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব শেষ করে প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন। আবার যারা সেবার জন্য যাচ্ছেন তাদের চেনেন না প্রশাসক। এ কারণে সেবা দিতে বিলম্ব হচ্ছে। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে। এ থেকে পরিত্রাণের পথ দ্রুত নির্বাচন অথবা আগের কাউন্সিলরদের প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া।’
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাও বললেন শতভাগ সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী বলেন, ‘বর্তমানে যারা কাউন্সিলরদের স্থলে প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের পক্ষে নাগরিকদের শতভাগ সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে তারাও চেষ্টা করছেন সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার।’
মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এসব কর্মকাণ্ড চলমান রয়েছে। এক্ষেত্রে নগরবাসীকে তেমন কোনও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে না। আইন মেনে প্ল্যান পাস করা হচ্ছে। তবে কনট্রাকশন প্রতিষ্ঠানগুলো আইনের মধ্যে থাকতে চাচ্ছে না। তারা চাচ্ছে আইন বহির্ভূতভাবে প্ল্যান। যা কোনোভাবেই তাদের দেওয়া সম্ভব নয়। এজন্য তারা নানা অভিযোগ করছেন, যার কোনও ভিত্তি নেই।’
মশার দাপটে অতিষ্ঠ নগরবাসী
শুষ্ক মৌসুমে মশার অস্বাভাবিক বিস্তারে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে নগর জীবন। এতোদিন সীমিত পরিসরে মশা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চললেও সুফল আসেনি। এ অবস্থায় মশার দাপট কমাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন। গত রবিবার থেকে নগরজুড়ে ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ শুরু করেছে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ। এ লক্ষ্যে ১২টি জরুরি দল গঠন করে সকাল-বিকাল নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম চালানো হবে।
নগরবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বরিশাল অঞ্চলে কয়েক বছর ধরে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বেড়েছে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। মশা নিধনে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের তৎপরতা আগের তুলনায় বাড়ানো হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। ফগার মেশিন হাতে মশকনিধনকর্মীরা বিভিন্ন এলাকার ঝোপ ও বদ্ধ নালায় ওষুধ ছিটালেও এসব কোনও কাজে আসছে না।
নগর কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রাকৃতিক কারণে নদী, খাল ও বিলের পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় মশার বংশবিস্তারের উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এজন্য আগের তুলনায় মশার উপদ্রব বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই নগরের ৩০টি ওয়ার্ডের প্রায় ৫৮ বর্গকিলোমিটার এলাকায় খাল-বিল, নালা ও আবাসিক এলাকায় একযোগে এ বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে।
সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. মনজুরুল হক জানিয়েছেন, মশার বিস্তার রোধে ১২টি জরুরি দলে মোট ৫২ সদস্য কাজ করছেন। একই ওষুধ দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে মশার মধ্যে প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়। তাই নতুন ভ্যারাইটির ওষুধ প্রয়োগ শুরু হয়েছে।
সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস জানিয়েছেন, প্রতিদিন ২০০ লিটার অ্যাডাল্টিসাইড (বড় মশা মারার ওষুধ) এবং তিনটি ওয়ার্ডে ২০ লিটার লার্ভিসাইড (লার্ভা ধ্বংসের ওষুধ) ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে চারপাশে মশা জন্মানোর অনুকূল পরিবেশ থাকায় সমস্যার স্থায়ী সমাধান কঠিন হয়ে পড়ছে। তারপরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত