শিরোনাম
Passenger Voice | ০৪:৩২ পিএম, ২০২৬-০২-১৯
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের মনে রাখতে হবে, একটা বিধ্বস্ত অর্থনীতি, বিধ্বস্ত রাস্ট্রব্যবস্থার ওপর দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। আমরা জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব।
তিনি বলেন, একটি সফল রাষ্ট্র বিনির্মাণে আমাদের সবার ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র এই তিনটি স্তর একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমরা যদি ভিন্নমত ও বিভেদ ভুলে একটি টিম হিসেবে কাজ করি, তাহলে উন্নয়ন, সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক সফল সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রমের ওপর উপস্থাপনা করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদী।
মির্জা ফখরুল বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা মানে কেবল প্রশাসনিক কাঠামো ঠিক করা নয়; বরং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। কার্যকর প্রতিষ্ঠানই একটি শক্তিশালী ও উন্নয়নমুখী রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি। তাই সরকারের এই পুনর্গঠন কার্যক্রম টেকসই ও ফলপ্রসূ করতে সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন, গ্রামের মানুষ কষ্টে রয়েছে এটি শুধু একটি আবেগের কথা নয়, বরং একটি বাস্তব সামাজিক সত্য। তাদের কষ্ট লাঘব করা রাষ্ট্র, সমাজ ও সচেতন নাগরিক সবারই দায়িত্ব। কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে গ্রামের মানুষের কষ্ট দূর করতে কাজ করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর পরিষ্কার বার্তা হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের মানে শান্তি নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই হচ্ছে সরকারের অগ্রাধিকার।
এ সময় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, এই মন্ত্রণালয় সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সবার সহযোগিতার মাধ্যমে, উন্নয়ন ও গণতন্ত্র সমুন্নত রেখে যেন জনগণের কাছে যেতে পারি। দুর্নীতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাই মিলে কাজ করতে হবে। নির্বাচনি ইশতেহার ও ঘোষিত ৩১ দফা কেবল রাজনৈতিক অঙ্গীকার নয় এগুলো জনগণের সঙ্গে করা একটি সামাজিক চুক্তি। তাই মানুষের জন্য একটি নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নয়নমুখী পরিবেশ তৈরিতে এই মন্ত্রণালয়কে দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
সর্বোপরি, দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করলেই নির্বাচনি ইশতেহার ও ৩১ দফার বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। একটি কল্যাণমুখী, মানবিক ও টেকসই রাষ্ট্র গঠনে এই মন্ত্রণালয়ের সক্রিয় ও আন্তরিক উদ্যোগই হতে পারে পরিবর্তনের প্রধান চালিকা শক্তি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2019 - 2026 PassengerVoice | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Developed By Muktodhara Technology Limited.
পাবলিক মতামত